Tepantor

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের ত্রিপুরায় গেল ৮২ টন ওমেরা এলপিজি

৮ জুন, ২০২২ : ৩:৩৩ অপরাহ্ণ ১৭৩

আশরাফুল মামুন; বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল রাজ্যগুলোর চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ থেকে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাহী পাঁচটি ট্যাংক গেল ভারতের ত্রিপুরায়।

Tepantor

বুধবার দুপুরে পাঁচটি ট্যাংকারে করে ৮২ টন তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশনের ত্রিপুরা রাজ্যের বিশালগড়ের প্লান্টে সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার দুটি ট্যাংকারে করে ৩৬ টন(এলপিজি) ত্রিপুরায় রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশ – ভারত দু’দেশের সমঝোতা চুক্তির আওতায় ওই গ্যাস ভারতে রফতানি করে
বাংলাদেশের ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড।
সিএন্ডএফ এজেন্ট আখাউড়া স্থলবন্দরের মৌ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মহসিন আহমেদ সরকার বলেন, বাংলাদেশের তিনটি গ্যাস কোম্পানি ভারতে ৫০ হাজার টন করে (এলপিজি) গ্যাস রপ্তানি করবে।

চুক্তি অনুযায়ী ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ভারতের ত্রিপুরায় ৪৯হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সরবরাহ করা হবে এগুলোর সিএন্ডএফ তিনি করবে বলে জানান।

আখাউড়া স্থলবন্দরে রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিছুল হক ভূঁইয়া জানান, এলপিজি গ্যাস গুলো টনপ্রতি ৯৭৭.৫৪ ডলারে ভারতে রপ্তানি হচ্ছে। বুধবার দুপুরে পাঁচটি ত্যাগকারী করে ৮২ টন এলপিজি গ্যাস ভারতে রপ্তানি হয়। এগুলো সৌদি আরব,কাতার থেকে আমদানি করে বাংলাদেশ পরিশোধন করে ভারতে রপ্তানি করা হচ্ছে।

ভারতের ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চল রাজ্যগুললোতে গ্যাস পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ অনেক বেশি পড়ায় বাংলাদেশের কাছ থেকে গ্যাস নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় উভয়দেশের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারক অনুয়ায়ী বাংলাদেশ ত্রিপুরার ইন্ডিয়ান করপোশেনের বিশালগড় বটলিং প্লান্টে ট্যাংকারে করে এলপিজি সরবরাহে সম্মত হয়।

ওই সমঝোতা অনুসারে বাংলাদেশের ব্যক্তি মালিকানার ওমেরা, বেস্কিমকো, বিএম এনার্জি, পেট্রোলিয়ামের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর জন্য এলপিজি আমদানি করছে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন। কোলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে শিলিগুড়ি পার হয়ে আগরতলায় তরল গ্যাস পরিবহনের ১৬৪০ কিলোমিটার পথের বদলে বাংলাদেশে থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর এলপিজি সরবরাহ করতে মাত্র ২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। এতে অর্থ ও সময় উভয় লাভবান হবে ভারত।

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।