Tepantor

ঘন্টায় ৩ বার বিদ্যুৎ যায় ট্যাংকের পাড় এলাকায়

৮ জুন, ২০২২ : ৫:৩৩ অপরাহ্ণ ১২৬

তেপান্তর রিপোর্ট: সংস্কৃতির রাজধানী খ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ইতিহাস ঐতিহ্যে ভরপুর ও জ্ঞানী-গুণীদের বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশে সর্বাধিক পরিচিত। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে এ জেলায়ও। ইতোমধ্যে এই জেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়ন জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও জেলা শহরেই পিডিবি বিদ্যুতের তালবাহানা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন চরম পর্যায়ে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। বিশেষ করে ট্যাংকের পাড়, পশ্চিম পাইকপাড়া, কুমাড়শীল মোড় এলাকায় ঘন্টায় কয়েকবার বিদ্যুৎ লোডশেডিং হয়। যদিও লোডশেডিংয়ে বিষয়টি মানতে নারাজ বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগ-২। তারা বলছেন লাইনের কাজের জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। যদিও গত ৬ মাস আগে থেকে এই অবস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই ৬ মাস যাবৎ ঠিক কোথায় কোথায় লাইনের কাজ চলছে  তা জানতে চাইলে বিতরন বিভাগ-২ এর কর্মকর্তাগণ কোন উত্তর দিতে পারেননি।

Tepantor

এলাকার ভুক্তভোগী মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, কোমারশীল মোড় টেংকেরপাড় এলাকা হলো শহরের প্রাণকেন্দ্র এবং বিশেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল, ব্যাংক, সার্কেল এসপি অফিস সহ অসংখ্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক হয়েছে যে কারণে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। এলাকাবাসী আরো জানান, বিদ্যুৎ অফিসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা শুধু বলে লাইনে কাজ চলছে ।

জেলা ছাত্রলীগ এর সহ-সভাপতি মোরসালিন আহমেদ চৌধুরী নিহাদ বলেন, একই ব্যাপারে মুঠোফোনে লোডশেডিং এর কারণ জানতে চাইলে এর কারণ তারা জানে না, অফিসে তাদের বড় স্যার এর সাথে কথা বলার জন্য বলা হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান এর কাছে এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিগত ছয় মাস যাবত ফোরলেন রাস্তার কাজের জন্য শহরে খুটি স্থানান্তর ও গাছ কাটার কারণে বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্ন হয়েছে। তবে ঘন্টায় তিন চার বার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

 

এমএ/এসকে

 

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।