আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কাছে জবাব চাই আমরা কি ফেরাউনের যুগে বাস করছি?

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ : ৩:২৮ অপরাহ্ণ ২২৩

শাহাদাৎ হোসাইন খান: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বরেণ্য আলেম মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর কয়েকটি বক্তব্য নিয়ে রাতদিন মাতামাতি করছে। নিজেদেরকে অতি মুসলমান হিসেবে প্রমাণের ব্যর্থ চেষ্টা করছে। তারা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ছাড়া আর কিছু দেখে না। তাদের কাছে দ্বীন-দুনিয়ায় আর কোনো সমস্যা নেই। মাওলানা আজহারী ‘শিরক-কুফরি’ করছেন। তাকে যারা সমর্থন করছেন তারাও। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সমর্থকদের বাড়াবাড়ি এবং অতি ভক্তি দেখে মনে হয় হয়তো তারা নও-মুসলিম অথবা আমরা। আমাদের নবীর (সা.) শিক্ষাগত অবস্থা এবং ইসলামে মদ নিষিদ্ধ করার ইতিহাস দশকের পর দশক ধরে জেনে আসছি। কখনো কোথাও কেউ প্রশ্ন তুলেনি। শোরগোল বাধায়নি। এমন হলে তো আমরা পড়াশোনা করতে পারতাম না। আমাদের বই জ্বালিয়ে দেয়া হতো। আমরা এ ইতিহাস লিখে পাস করতে পারতাম না। পাস করা তো দূরের কথা, জেলে যেতে হতো। ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সত্যগুলো নিয়ে কুতর্ক করে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত কি বুঝাতে চায়? দেশে কত অঘটন ঘটছে! দেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। গণতন্ত্র নেই। মানবাধিকার নেই। ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। বলতে গেলে বিপদ। লাল দালান।
হুজুররা কোরআনের তাফসির করতে পারছেন না। জায়গায় জায়গায় বাধা দেয়া হচ্ছে। তাফসির মাহফিলে থানার ওসি এসে বসে থাকেন। মাইক খুলে নেয়া হয়। ওসি সাহেব ওয়াজের দিকনির্দেশনা দেন। কোথাও কোথাও গ্রেফতারের মতো ঘটনাও ঘটছে। ওয়াজ মাহফিলগুলোতে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হচ্ছে। কোনো একসময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও পল্টন ময়দানে বিরোধী দলের জনসভায় এ ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হতে দেখতাম। নমরুদ-ফেরাউনের আমলে ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হতো। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হতো। আমরা কি ফেরাউনের যুগে ফিরে গেছি? আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কাছে জবাব চাই। তারা মাওলানা আজহারীর খোদ খুঁজে। ছুঁতা ধরে। আর কিছু তাদের চোখে পড়ে না? তারা কি সরকারি এজেন্ট? সরকারের অন্যায় ধামাচাপা দেয়ার জন্য কি তারা আজহারী, আজহারী করে? তাছাড়া তো আর কোনো হিসাবে মেলে না।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।