Tepantor

এলাকাবাসী বলছেন দুই নম্বর ইট, সংশ্লিষ্টরা বলছেন ভালো

২২ নভেম্বর, ২০২২ : ৬:০৬ অপরাহ্ণ ১১৩

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের শান্তিনগর- বাকাইল রোডটির একাংশের সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, রাস্তাটি সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদার নিম্ন মানের ইট ব্যবহার করছেন। ৩১ অক্টোবর সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেদক এর সত্যতা পান। দেখা যায়, যেই ইটগুলোর কংক্রিট রাস্তায় বিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেগুলো খুবই নরম ও দূর্বল প্রকৃতির ইট এবং ইটের টুকরোগুলোর সাইডের অংশ ধারহীন ভুতা। সেই ইটের কংক্রিটের সাথে ইটের গুড়া মিশানো। তখন এলাকাবাসী প্রতিবেদককে জানিয়েছেন এখানে কিভাবে নিম্ন মানের ইটের কংক্রিট ব্যবহার করে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সদর উপজেলার প্রকৌশলী কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেনকে একাধিক বার বিষয়টি জানিয়েও কোন সমাধান পাননি এলাকাবাসী। শুধু তাই নয়, তার কাছে স্থানীয় এক সংবাদকর্মী ওই রাস্তার কাজের শিডিউল একাধিক বার চেয়েও পাননি। তবে তিনি বলেছেন, রাস্তার কাজের মাল-মসলা ল্যাবে নিয়ে পরিক্ষা করা হবে। যদি তা মানহীন মাল প্রমানিত হয় তবে তা অপসারন করা হবে।

তবে এবিষয়ে উপস্থিত এম এ ট্রেডার্সের মালিক ঠিকাদার আশরাফ আলি ভূইয়া (শিবু) দাবী করেছেন তার কাজে কোন প্রকার অনিয়ম হচ্ছেনা। তিনি বলেছেন ময়লা লেগে থাকার কারনে ইটগুলো মনে হচ্ছে ২নম্বর ইট, আসলে এর উপর পানি দিয়ে সব ঠিক হয়ে যাবে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেছেন, রাস্তার কাজে মাল মসলা ল্যাবে নিয়ে পরিক্ষা করে পজিটিভ ফলাফল পাওয়া গেছে, তাই যেভাবে কাজ হচ্ছে সেভাবেই কাজ হবে। কোন মাল অপসারন করা হবেনা।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাকাইল গ্রামের এক বাসিন্দা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, সিলেটের এক লোক বাকাইল গ্রামের বিকাশ ব্রিক্স ফিল্ড থেকে ৫০ হাজার দুই নম্বর ইট কিনেছিল। পরে প্রয়োজন না হওয়ায় তিনি আবার এগুলো এখানেই রেখে যান। সেই ৫০ হাজার দুই নম্বর ইট বর্তমান কাজটির ঠিকাদার কিনে নিয়ে সেগুলোকে রাস্তার কাজে ব্যবহার করছেন।

 

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।