Tepantor

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসপি ওসি সহ ৮ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

২৩ নভেম্বর, ২০২২ : ২:৩৪ অপরাহ্ণ ১৩৪

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের  গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়া নিহতের ঘটনায় জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুর রহমান ও বাঞ্ছারামপুর থানার ওসি সহ আট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার নিহত নয়নের বাবা রহমত উল্লাহ বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (বাঞ্ছারামপুর) এ মামলার আবেদন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জজ আদালতের আইনজীবী আরিফুল হক মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হোসেন রেজা, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি নূরে আলম, পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, এসআই আফজাল হোসেন খান, এসআই বিকিরণ চাকমা, কনস্টেবল বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস ও শফিকুল ইসলাম।

আইনজীবী আরিফুল হক মাসুদ বলেন, নিহত নয়নের বাবা রহমত উল্লাহ বাদী হয়ে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন। আদালত আজ বিকালে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন। পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

গত শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরে বিএনপির কুমিল্লার সমাবেশের লিফলেট বিতরণকালে পুলিশের শটগানের গুলিতে নিহত হন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. নয়ন মিয়া।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা জানান, কুমিল্লায় আগামী ২৬ নভেম্বর বিএনপির সমাবেশ উপলক্ষ্যে নয়ন ও তাদের দলীয় নেতারা বাঞ্ছারামপুর সদরে লিফটের বিতরণ করছিলেন। সেই সময় নয়নের সঙ্গে কমপক্ষে ২০০-২৫০ নেতাকর্মী ছিল। বাঞ্ছারামপুর থানাসংলগ্ন মোল্লাবাড়ি নতুন ব্রিজে পৌঁছলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। সে সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

একপর্যায়ে পুলিশ শটগান দিয়ে গুলি করে। এতে নয়নের পেটে গুলি লাগে। এ ঘটনায় নয়ন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে নয়নকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

 

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।