Tepantor

শহরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি- সম্পাদকীয়

১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ : ৩:৪৬ অপরাহ্ণ ৬৭

সীমান্ত খোকন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ দিনের ব্যবধানে ২ খুনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। শেষ ঘটনাটি ৯ জানুয়ারি শহরের অবকাশের সামনে এক উদীয়মান সাংবাদিককে হত্যার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীরা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তারা ক্রাইম করার ক্ষেত্রে কাউকে ভয় পায়না। কারন, অপরাধীদের জন্য ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছেনা পুলিশ, বরং অভিযোগ আছে অন্য একটি ক্ষেত্রে হত্যাকারীদের বাচানোর চেষ্টা করার। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর সদরের বিশ^রোডের খাটিহাতা গ্রামে এক স্ত্রী তার দলবল নিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু এবিষয়ে মৃতের মা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহন না করে পুলিশ নিজে অপমৃত্যুর মামলা লিখে সেই এজাহারে বাদিকে জোর করে সই নিয়ে তারপর সেটাকেই এফআইআর করেছে পুলিশ। এসময় বাদি অপমৃত্যুর মামলা করতে রাজি না হওয়ায় লেবু নামে থানার এক এসআই বাদির পেটে লাথি মারতে যায় ও উল্টো বাদিকে আটকে রাখে। এই ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলেও অভিযুক্ত এসআই লেবু ও সদর থানার ওসি তদন্ত সোহরাব রয়েছে বহাল তবিয়তে, নেওয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।

এঘটনায় মৃত ছেলেটির মা শাহনাজ অভিযোগ করে বলেছেন, তার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের কাছ থেকে পুলিশ টাকা-পয়সা খেয়ে হত্যাকারীদের বাচাতে পুলিশ মরিয়া হয়ে উঠেছে। এর ফলেই ছেলে হত্যার বিচার চাইতে যাওয়া মাকে পেটে লাথি মারতে গিয়েছিলো পুলিশ। তো এই যখন অবস্থা, তখন অপরাধীরা পুলিশের এমন ভূমিকা দেখে আরেকটি হত্যাকান্ড ঘটাতে সাহস পেতেই পারে। যদি তা না’ই হয়, তবে পুলিশ সুপারের বাসভবন থেকে কিছু দূরেই কি করে দিনের আলোতে দলবল নিয়ে সন্ত্রাসীরা ফিল্মি স্টাইলে গাড়্ আিটক করে একজন সাংবাদিককে খুন করতে পারে। দিনের আলোতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে কোন সাংবাদিককে ছুড়িকাঘাত করে এভাবে খুনের ঘটনা নজিরবিহীন।

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।