কাউকে পরোয়া করেনা ট্যাংকের পাড়ের বখাটেরা

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ : ৩:৩০ অপরাহ্ণ ৫০০৭

বুধবার হৃদিলা ও তার বোনকে ইভটিজিং করা ৩ বখাটে।

আসাদুজ্জামান আসাদ,ক্রাইম রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ট্যাংকের পাড়ে বখাটে ছেলেদের উৎপাত দিন দিন বেড়েই চলছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় বখাটেরা এখন বেপরোয় হয়ে উঠেছে।ট্যাংকের পাড় দিয়ে চলাচলকারী আনন্দময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ সাধারণ মেয়েরা এই পথ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছেন। অনেকে অভিযোগ করে বলছেন, বখাটেদের বিরুদ্ধে নজরদারি না বাড়িয়ে উল্টো স্কুলের ছেলে-মেয়েদের হয়রানী করছে পুলিশ।

বুধবার হৃদিলা নামে এক মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, তিনি ও তার বোন ট্যাংকের পাড় দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনটি ছেলে তাদের ছবি তুলছিল। তখন প্রতিবাদ করে হেনস্তা হয়েছেন তিনি। ছেলেদের মোবাইলে তাদের ছবি থাকায় ছেলেদের হাত থেকে মোবাইল নিয়েছিল হৃদিলা। তখন ছেলেটা সেই মোবাইল আবার ছিনিয়ে নিয়ে তাদের তোলা ছবি ডিলিট করে বলল, ‘এখন তো কোন প্রমাণ নাই’। তখন অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করে ও জোরে জোরে হাসতে থাকে ছেলেগুলো। তখন তারা বলতে থাকে, প্রশাসনসহ আমরা কাউকে পরোয়া করিনা। কিন্তু বখাটেদের মোবাইলে হৃদিলার বোনের ছবি ঠিকই রয়ে গেলো। এই ঘটনা আইডিয়াল স্কুল ও বি.বাড়িয়া স্কুলের কিছু ছাত্র দেখেছিল। বখাটেরা এমন আচরন করছিল যাতে মনে হচ্ছিল আমরা হাসির পাত্র হয়ে গেছি, বলেন হৃদিলা।

বুশরা জাহান নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, প্রায় প্রতিদিনই এই রাস্তায় এমন হওয়ার কারনে এখান দিয়ে আর তিনি যাতায়াত করেননা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মোঃ সেলিম তেপান্তরকে জানান, কিছুদিন আগে আমরা একটা অভিযান চালিয়েছিলাম এবং তখন ট্যাংকের পাড় স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা বসে সময় পাড় করার জন্য তাদের আটক করে তাদের অভিবাকদের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। আর আজকের যে ঘটনা সেটা শুনেছি। বিষয়টা দেখা হচ্ছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।