Tepantor

রাস্তার মাঝখানে গাছ, ১৫ পরিবারের ভোগান্তি

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ : ৩:৪৫ অপরাহ্ণ

তেপান্তর রিপোর্ট: জেলার বিজয়নগরের পসার চাঁদ গ্রামে মানুষের চলাচলের রাস্তার মাঝখানে একটি বড় কড়ই গাছ থাকায় অন্তত ১৫টি পরিবার তাদের বাড়িতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভোগান্তিতে পড়ে রয়েছে। মূলত রাস্তাটি অতীতে আরও প্রশস্ত ছিল, এখন সেটিকে ফসলি জমির জন্য দুই পাশে কেটে চিকন করে ফেলায় গাছটির অবস্থান এখন রাস্তার মাঝখানে। আর এজন্যই মানুষের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। ভোগান্তি মূলত পসার চাঁদ গ্রামের ঠাকুর বাড়ির মানুষদের বেশি পোহাতে হচ্ছে। এই রাস্তার জায়গাটি সরকারি খাস জায়গা এবং সেখানকার ‘ঝলক’ নামক এক ব্যক্তির দখলে রয়েছে জায়গাটি। তাই তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবেই রাস্তাটি কেটে সরু করে ফেলেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে ঠাকুর বাড়ির নূর মিয়ার ছেলে শালিসকারক শাহিদ মিয়ার সাথে তাদের একাধিক বার ঝগড়া,হাতাহাতি ও সালিশ বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তা স্বত্বেও এর কোন সমাধান হয়নি। শুধু তাই নয়, এই সমস্যা সমাধানে শাহিদ মিয়া পর্যায়ক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড, জেলা প্রশাসক ও মানবাধিকার কমিশনেও লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। কিন্তু তবুও এর কোনর সুরাহা হচ্ছেনা।

এবিষয়ে শাহিদ মিয়া জানান, ৭৫ বছর আগে আমরা এখানে বাড়ি তৈরি করি। তখন থেকেই আমরা এই রাস্তা দিয়ে আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করি। সংগ্রাম পরবর্তী সময়ে রাস্তাটি বহাল থাকার জন্য সরকার থেকে এই রাস্তায় একটি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছিলো। কিন্তু এখন রাস্তাটির দুই পাশের জমির অজুহাতে এটিকে কেটে কেটে চিকন আইল বানিয়ে ফেলা হয়েছে। ফলে গত দুই বছর যাবৎ এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা কষ্ট হয়। আমরা অনক সময় মাটি ফেলে রাস্তাটি বড় করতে চাইলে তারা বাধা দেয়, পুলিশও পাঠায়। তারা বলছে যে, তাদের জায়গা দিয়ে তারা আমাদের রাস্তা দিবেনা। প্রকৃতপক্ষে এটি খাসের জায়গা ও সংগ্রামের আগে থেকেই এখানে রাস্তা ছিল। এই অবস্থায় রাস্তার মাঝখানে গাছ থাকায় যাতায়াতে আরও সমস্যা হয়।

ঠাকুর বাড়ির নায়েব খাঁ নামে আরেক ব্যক্তি জানান, রাস্তাটি যেহেতু চিকন, সেই রাস্তার মাঝখানে একটি সরকারি গাছ আছে। এখন সেই গাছের কারণে যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছে। একটি বাইসাইকেলও নেওয়া যায় না, আগে এদিক দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যেতো। প্রতিবেশী ঝলক বলেছে, জায়গাটি তাদের, তাই এখান দিয়ে রাস্তা দিবেনা।

 

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।