কোর্ট রোডের ভুগান্তি কবে শেষ হবে?

২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ : ২:১০ অপরাহ্ণ ৪৩৭

আশরাফুল ইসলাম: ব্রাহ্মনবাড়িয়া শহরের সবচেয়ে ব্যাস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে কোর্ট রোড। শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকসমুহের মুল অফিস এবং ব্যস্ততম বিপনি-বিতানগুলোও এই সড়কটির দু’পাশে অবস্থিত। কিন্তু এই সড়কের দুপাশেই অবৈধভাবে গড়ে ওঠেছে প্রায় অর্ধশত অস্থায়ী দোকান, যা এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে একটি চিপা গলিতে পরিনত করেছে।প্রতিদিনই এপথে এসে শহরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানযটে পড়ে নষ্ট হচ্ছে শহরবাসীর মুল্যবান কর্মঘণ্টা। সন্ধার পরতো প্রায় অস্থায়ী গ্রাম্য হাটবাজারে পরিনত হয়ে যায়িএটি। শহরের ঠিক কেন্দ্রস্থলে এই ধরনের অবৈধ দোকানপাটের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পদক্ষেপ নিতান্তই অপ্রতুল। পৌরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। পৌরসভা কর্তৃক অভিযান পরিচালনার কয়েক মিনিট পরেই আবার ভাসমান দোকানগুলো স্ব স্ব অবস্থানে ফিরে আসছে।এই পথে প্রতিদিন যাতায়াতকারী অনেক পথচারীর মুখে শোনা গেল তাদের দুর্ভোগের কথা।

শাকিল আহমেদ নামে একজন পথচারী তেপান্তরকে বলেন,ব্যাবসায়ীক প্রয়োজনে প্রায় প্রতিদিনই উনি এই পথে ইসলামী ব্যাংকে আসা যাওয়া করেন। কিন্তু অতিরিক্ত জ্যামের কারনে প্রায়সময়ই উনাকে পৌর মার্কেটের সামনেই রিক্সা থেকে নেমে বাকী অংশটুকু হেটে আসতে হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পথচারী বলেন,প্রশাসনের লোকদের ম্যানেজ করেই নাকি এই ভাসমান দোকানগুলো দিনের পর দিন এখানে টিকে আছে।

মোঃ সৈয়দ হাসান সানি নামে একজন ফেসবুকে লেখেন,”ব্যস্ততম সড়কে যানজট সৃষ্টির জন্য পৌরসভা কর্তৃক সুপার মার্কেট সামনে তৈরি বাঁশের বেড়াটি আরো সমস্যা বাড়াচ্ছে। তিনি পৌর মেয়রের প্রতি আকুল আবেদন জানান, বেড়াটি যেন ৮-১০ ফুট পিছিয়ে দিয়ে কোর্টরোডকে যানজট মুক্ত হতে সহযোগীতা করেন।”

সড়কের উত্তর পাশে এফ.এ টাওয়ারে অবস্থিত বি-বাড়িয়া স্টাইলের স্বত্বাধিকারী সারোয়ার হোসেন বাবু বলেন, ভাসমান এই দোকানগুলোতে স্বল্পমূল্যের নামে নিম্নমানের বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রি হয়। স্বল্পমুল্যের এইসব মানহীন পন্য ক্রয় করে প্রায়শই ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এই বিষয়ে আরও কঠোর হওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে পৌরসভার গৃহীত পদক্ষেপের ব্যাপারে জানার জন্য পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের অফিসে একাধিকবার গিয়েও উনাকে পাওয়া যায়নি।

শহরবাসীর চাওয়া একটাই, তারা এই সমস্যার দৃশ্যমান এবং স্থায়ী সমাধান চান।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।