ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রত্নগর্ভা মায়ের রত্ন ছেলে ডাঃ সাইফুদ্দিন খান শুভ্রর গল্প

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ : ৫:৫০ অপরাহ্ণ ৪৩১৭

আসাদুজ্জামান আসাদ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুহিলপুর ইউনিয়ন এর খান বাড়ির ছেলে ডাঃসাইফুদ্দিন খান শুভ্র। তিনি সার্জারি স্পেশালিষ্ট,কিডনি হাসপাতাল(পিজি) ঢাকা।
সাত ভাই পাঁচ বোনের মাঝে ওনি পঞ্চম।
ওনার বড় ভাই সিহাব উদ্দিন খান ডাইরেক্টর এডমিন বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস। বোন তাহমিনা বেগম হলেন পেট্রোবাংলার ডিজিএম।আরেক ভাই রাকিব উদ্দিন খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।
ওনার আম্মা শামসুন্নাহার পেয়েছেন রত্নগর্ভা সম্মাননা। ওনার বাবা শাহাদাৎ খান ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা স্কুলের শিক্ষক।
তাছাড়াও ওনাদের ফ্যামিলিতে আছেন বর্তমানে ১০জন ডাক্তার। এর মাঝে উনার স্ত্রী মারিয়া পারবিন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাস্পাতালের গাইনি বিষেশজ্ঞ।

বর্তমানে ওনারা থাকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মেড্ডায়। মেড্ডায় অবস্থিত সিহাব কুটির নামে ওনাদের বাড়িটি সামনে ছিমছাম সাধারণ বাড়ির মত হলেও ভেতরে অন্য পরিবেশ। সখ থেকে গড়েছেন গরুর খামার,ফুলের বাগান,রেসিং কবুতর সহ রয়েছে বিদেশি ৩টি কুকুর।
যদিও সখ থেকে এইসব, তবু ওনি একাধিক বার পেয়েছেন সফল খামাড়ির পুরষ্কার।ওনার গরুর খামাড়ে আছে অর্ধশতাধিক বিভিন্ন জাতের গরু।বিশাল আকারে গরু গুলার নাম অ রেখেছে তিনি।ঢাকা থেকে সিসি টিভির মাধ্যমে দেখাশোনা করেন সব কিছুর আর সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন এখানে।

ওনার সাথে কথা বললে ওনি বলেন, আমার বাবা আমাদের অনেক কষ্টে করে মানুষ করেছেন।এখন সুযোগ পেলেই ছুটে আসি এলাকায়। শখ থেকে শুরু করেছিলাম গরুর খামার আজ একজন সফল খামারি হিসেবেও নিজের নাম শুনলে ভাল লাগে। আমার ফুলের বাগানের অনেক প্রকার ফুলের সমাহার। দেশের বাইরে যেখানেই যাই আমি বিভিন্ন ফুল গাছের বীজ নিয়ে আসি।
আর এই গুলাতে আমার ছোট ভাই সাজ্জাদ আমাকে অনেক সাহায্যে করে,সে একজন ব্যাংকার।

এই এলাকার বাসিন্দা মাসুম বিল্লাহ ও অন্যান্য লোকজন থেকে জানা যায়,ওনারা সবাই খুব ভাল মনের মানুষ,এলাকার সবার বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন।কেই সাহায্যের জন্য গেলে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না।সদা হাসিমুখে কথা বলেন সবার সাথে।
ওনার কাছে প্রয়োজনে আসা মধ্যপাড়ার আনোয়ার হোসেন বলেন, ব্রাহ্মনবাড়িয়ার এই রত্নদের কথা অনেকে জানেই না।চুপচাপ খুব সাধারণ তাদের চলাফেরা।আমার পাসপোর্ট সংক্রান্ত একটা সমস্যা নিয়ে এসেছিলাম এখানে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই রত্নরা আমাদের গর্ভ।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।