লেবাননে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকারের বিদায়

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ : ৫:৩২ অপরাহ্ণ ৮২৭

মনির হোসেন রাসেল,লেবানন থেকে::আগামী সপ্তাহে বিদায় নিতে যাচ্ছেন লেবানন প্রবাসীদের আশার আলো দেখানো, প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের অংশীদার লেবাননে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জনাব আব্দুল মোতালেব সরকার।

এ উপলক্ষে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রোজ রবিবার বেলা ১১ টা সময়, “রেস্ট প্যালেস, আল কোলায়” মান্যবর রাষ্ট্রদূত কে বিদায় সংবর্ধনা দিবেন লেবাননের বাংলাদেশ কমিউনিটি।

লেবানন প্রবাসীদের জন্য তিনি দীর্ঘ প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কঠোর পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে লেবাননের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তিনি ২০১৫ সালের শেষের দিকে লেবানন-এ রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন।

বৈধ ও অবৈধ লাখো লেবানন প্রবাসীর কাছে ‘আবদুল মোতালেব সরকার’ নামটি ছিল যেন এক ভরসা ও আস্থার প্রতিক। বিশেষ করে অবৈধ প্রবাসীদের সাথে আব্দুল মোতালেব সরকার ছিলেন খুবই বিনয়ী , তাদের যে কোন অসুবিধে হলে ঝাপিয়ে পরতেন তিনি। সমস্যার খোঁজ খবর নিয়ে তা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ছিল উনার মূল লক্ষ্য। তিনি ব্যাক্তিগতভাবে নিজ ইচ্ছা থেকে শত শত অবৈধ প্রবাসীদের কাজের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বিভিন্ন কোম্পানী বেতন নিয়ে নানা সময় অনেক ঝামেলা করতো সেসব কোম্পানীগুলো কে লেবাননের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে প্রবাসীদের বেতন আদায়সহ তাদের কাজ ও সঠিক বেতনের বিষয়টি নিশ্চিত করতেন তিনি। শুধু তাই নয়, হাজার হাজার অবৈধ ও অসহায় প্রবাসী বাংলাদেশী নারী পুরুষদের বিনা খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি যা বর্তমানেও অব্যাহত আছে “রফিক হারিরি হাসপাতালে”।

লেবানন প্রবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লেবাননে দূতাবাস স্থাপনের পর থেকে সবচেয়ে সেরা, সৎ ও দক্ষ রাষ্ট্রদূত ছিলেন আব্দুল মোতালেব সরকার। কোন সাধারণ প্রবাসী যদি দূতাবাসে এসে কোন সহযোগিতা চাইতেন তিনি নিজে তার সহযোগিতায় এগিয়ে আসতেন ও তার সমাধান করে দিতেন।

ব্যাক্তিগত জীবনে অাবদুল মোতালেব সরকার, ১৩তম বিসিএস (পররাষ্ট্র ক্যাডার) ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মহাপরিচালক (সার্ক ও বিমসটেক অণুবিভাগ) সহ বেইজিং, প্যারিস, রাবাতসহ বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।