বিজিডি’র চাল আত্নসাত করছে মেম্বার আবুল খায়ের

৫ মার্চ, ২০২০ : ২:৪৫ অপরাহ্ণ ৫৮৯

তেপান্তর রিপোর্ট: গরীব-দুস্থদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত বিজিডি’র চাল আত্নসাত করার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বুধল ইউনিয়নের এক ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে। ওই মেম্বারের নাম আবুল খায়ের, তিনি ওই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার। এবিষয়ে গত ২ র্মাচ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বুধল গ্রামের এক ব্যাক্তি।

সেই লিখিত অভিযোগে বলা হয়, মেম্বার আবুল খায়ের নিজের মা জায়েদা বেগম, নিজের স্ত্রী নারগিছ বেগম ও রুবিনা বেগম নামে অজ্ঞাত আরেকজনের নামে চাল নিয়ে নিচ্ছে। অথচ রুবিনা বেগম নামে কোন মানুষের অস্তিত্ব নেই। একই সাথে অর্থনৈতিক ভাবে মেম্বার খায়ের একজন ধণী ব্যাক্তি হওয়া সত্বেও কিভাবে গরীর মানুষের চাল মেরে খাচ্ছেন তা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রকৃত গরীব লোকেরা।

অভিযোগে আরো বলা হয়, এই অনিয়মের বিষয়টি এলাকার মানুষ জানলেও তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। এই ভাবে মেম্বার আবুল খায়ের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প থেকে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বাড়িতে বিল্ডিং নির্মান করেছেন।তার ব্যপারে অধিকতর তদন্ত করলে অনেক অনিয়ম-দূর্নীতির তথ্য রেড়িয়ে আসবে বলেও অভিযোগ পত্রে লিখা হয়। সেই চাল মেম্বারের কাছ থেকে উদ্ধার করে সাধারণ গরীব মানুষের কাছে বিতরন করার আবেদন জানানো হয় ওই আভিযোগ পত্রে।

জানা গেছে, প্রতি মাসে একজন বিজিডি কার্ডদারী ব্যক্তি ৩০ কেজি করে চাল পাওয়ার নিয়ম। মেম্বারের এই লোকগুলোর নামে গত প্রায় ১৪ মাস বা তারও বেশি সময় ধরে চাল উত্তোলন করা হচ্ছে।

এবিষয়ে অভিযুুক্ত মেম্বার আবুল খায়ের তেপান্তরকে বলেছেন, আমার বাবা যখন মেম্বার ছিলেন তখন তিনিই আমার মায়ের নামে বিজিডি’র কার্ড করে দিয়েছিলেন। আমার মায়ের নামে চাল নিয়ে অন্য জনকে দিয়ে দেওয়া হয়।
তবে নিজের স্ত্রীর নামে ও অজ্ঞাত আরেকজনের নামে কি করে চাল দিচ্ছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি তার সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। তবে তিনি বলেছেন, এখানকার অনেক মেম্বারই আরো অনেক কিছুই করে, সেগুলো বলতে চাইনা। তবে তিনি তাচ্ছিল্য করে বলেন, এটা কোন সমস্যা না, এবিষয়ে আমি পঙ্কজ বড়ুয়ার সাথে কথা বলবো। “আই ডোন্ট কেয়ার’।

এবিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়ার সাাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।