সম্প্রীতির বন্ধনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যথার্থ চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে মায়া রায়ের বইয়ে-মোকতাদির চৌধুরী

৭ মার্চ, ২০২০ : ২:১২ অপরাহ্ণ ১৮৬

তেপান্তর রিপোর্ট: ত্রিপুরার বিশিষ্ট সঙ্গীত প্রশিক্ষক,নজরুল গবেষক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিকন্যা মায়া রায়ের সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “ আমার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ” শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব হয়েছে। শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তিতাস সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ এ উৎসবের আয়োজন করে।

সংগঠনের সহসভাপতি মাসুম মিয়ার সভাপতিত্বে ও প্রকাশনা উৎসবের সমন্বয়ক বাছির দুলালের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। আলোচনায় অংশ নেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার,বরেন্য কবি জয়দুল হোসেন,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি খ আ ম রশিদুল ইসলাম,টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সভাপতি মনজুরুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তিতাস সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মো.মনির হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি লেখক মায়া রায়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। লেখক মায়া রায় তার বক্তৃতায় বলেন,আমার শৈশব-কৈশোরে এ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ছিলো অনেক বেশী সংস্কৃতিচর্চায় নিবেদিত। পাড়ায় পাড়ায় সঙ্গীতচর্চার ব্যবস্থা ছিলো। মানুষে ,মানুষে তখন সাম্প্রদায়িক বিভাজন তেমন চোখে পড়তো না। দেশভাগের যন্ত্রণা,জন্মভূমি ছেড়ে যাবার কষ্ট আমাদের প্রতিমুহুর্তে তাড়িত করে। উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন,মায়া রায় ভারতবর্ষে বসবাস করেও তাঁর জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ভুলে যাননি। তার শৈশব-কৈশোর এর বর্ণিল সময়গুলো তাকে বারবার তাড়িত করে। জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তার শৈশবকালে যেরকম শিল্প-সংস্কৃতির উন্মাদনা ছিলো,যে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ ছিলো এ অঞ্চলের মানুষ তার যথার্থ বর্ণনা তিনি করেছেন “ আমার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ” গ্রন্থে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কলেজের সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রকাশনা উৎসবে সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিবেশন করে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।