কসবায় যুুবলীগ নেতার অপকর্মের মামলা প্রত্যাহার না হলে প্রশাসনকে দাত ভাঙ্গা জবাবের হুশিয়ারি

৯ মার্চ, ২০২০ : ৩:৫৫ অপরাহ্ণ ৫৩৪

তেপান্তর রিপোর্ট: কসবা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জলাশয় ভরাট করার অভিযোগে কসবা থানায় ভূূমি অফিস যেই মামলা করেছে তা যদি প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার দাত ভাঙ্গা জাবাব দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। গত ৮মার্চ সন্ধ্যায় কসবা পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী কার্যালয়ে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এক প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এই হুশিয়যারি দেন। নাগরিক সচেতন সমাজের ব্যানারে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কসবা গোপীনাথ পুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্ববার ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতা আবু ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন,কসবা পৌর কাউন্সিলর ও কসবা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবু জাহের। কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক পলাশের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক এম এইচ মানিক, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এমরা খান,যুবলীগ নেতা গোলাম আজম,শাহ আলম, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন,সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনের দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানি
মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে স্থানীয় উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি প্রদান করেন।

ওই প্রতবাদ সবাই বক্তারা আরো বলেন, একই দেশে দুই আইন হতে পারে না। পরিবেশ আইনে শফিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কিন্ত উপজেলার অন্যান্য স্থানে পরিবেশ ক্ষতিসাধনে কেন মামলা হবে না? আমরা মনে করি একটি বিশেষ মহলের পক্ষ নিয়ে পুলিশ ও প্রশাসন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে শফিকুল ইসলামকে হয়রানি করছেন এবং আমরা পরিবেশ আইনের দায়ের কৃত মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবী করছি।

জানা গেছে, দক্ষিণ কসবায় একটি পুকুড় বা জলাশয় ভরাট করার অপরাধে গত ২মার্চ ২০২০ইং তারিখে পরিবেশ আইনে একটি মামলা করে কসবা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আলমগীর মিয়া চৌধুরী। এর প্রতিবাদেই এই হুমকি দেওয়া হয়। এই মামলার প্রধান আসামী সফিকুল ইসলামসসহ ৮জন। এছাড়াও শফিকের বিরুদ্ধে কসবা থানায় একাধিক মামলা আছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আদালতে বিচার কার্য চলছে ।এদিকে তার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন মামলা থানা ও আদালতে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।