সিলাগাল বাতিল করে খোলে দেয়া হল মেসার্স ইব্রাহিম এর দুই গোডাউন

৬ এপ্রিল, ২০২০ : ৩:৪৮ অপরাহ্ণ ১৩৫৭

আসাদুজ্জামান আসাদ: গত ২২মার্চ আনন্দ বাজার এর বিশিষ্ট চাল ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মিয়ার দুইটি গোডাউনে মজুদ চাউলের ক্রয় রশিদ দেখাতে না পারায় তার ওই দুইটি গোডাউনে সীল গালা করা হয়। যা আজ ৬ এপ্রিল সোমাবার দুপুর ১২টায় সীলগালা মুক্ত করে খোলে দেয়া হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইবি এম মুশিউজ্জাম ও সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান এর উপস্থিতিতে নাটাই ও ঘাটুরার এই দুইটি গোডাউনের সীলগালা খোলে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে ইবিএম মুশিউজ্জামান তেপান্তর কে জানান,ইব্রাহিম মিয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে উনার সকল কাগজপত্র সঠিক পাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে ওনার গোডাউন গুলা সীলগালা মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

মেহেদী হাসান তেপান্তর কে বলেন,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে আমরা ওনার গোডাউন সীলগালা মুক্ত করে দিয়েছি।ওনাকে ন্যায্য মূল্যে চাল বিক্রি করার কথা বলা হয়েছে।ওনার দোকান আমাদের নজরদারীতে থাকবে।

সেখানে উপস্থিত মধ্যপাড়া বর্ডার বাজার এর সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর মিয়া জানান,ইব্রাহিম মিয়ার থেকে চাউল নিয়ে আমি দীর্ঘদিন বর্ডার বাজারে ব্যবসা করছি।ওনি খুব সহজ সরল ও ভাল মানুষ। ওনি না বুঝার কারনে আবেদন করতে দেরী করায় গোডাউন সীলগালা মুক্ত হতে দেরী হয়েছে।

ইব্রাহিম মিয়া জানান,আমাকে ইউএনও বলেছিল আবেদন করতে। কিন্তু লকডাউন থাকায় আর আমি কিভাবে কি করতে হবে বুঝে উঠতে দেরী হওয়ায় আবেদন করতে হয়েছে।কিন্তু আবেদন করা মাত্র ই আমার কাগজপত্র ঠিক থাকায় ডিসি মহোদয় এই লকডাউন থাকা অবস্থায় ই আমার গোডাউন গুলা মুক্ত করে দেয়ার আদেশ দেন।আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার গোডাউন গুলা মুক্ত করে দেয়ায়।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।