বিজয়নগরে অসচেতন জনগণ, সচেতন করতে মাঠে প্রশাসন

১০ এপ্রিল, ২০২০ : ৪:৩৩ অপরাহ্ণ ৫২০

এস এম টিপু চৌধুরী:করোনা ভাইরাসে প্রার্দুভাব ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তবে এতে করে দেশে প্রতিনিয়ত গভীর হচ্ছে করোনা সংকট। এ সংকট মোকাবেলায় সামাজিক দূরুত্ব ও জনসচেতনতা তৈরি করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। আর এই উদ্যোগ গুলো বাস্তবায়ন করতে মাঠে দিন রাত কাজ করছেন প্রশাসন। তবে এতে জনগণ তেমন গুরুত্বই দিচ্ছেন না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে উপজেলা প্রশাসন করোনা ভাইরাস সম্পর্কে মাঠে কাজ করলেও উপজেলাবাসীকে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা এবং ঘরমুখো করা যাচ্ছে না তেমন। অনেকটা উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে জনগণ। বিভিন্ন হাট -বাজার, পাড়া মহল্লায় অলিতে-গলিতে জনসাধারণের জটলা চোখে পড়ার মতো। আর বাজার গুলোতেই মানুষের ভিড় রয়েছে। যানবাহন তো আছেই। এ যেন স্বাভাবিক পরিস্থিতির এক চিত্র।

ইতোমধ্যে উপজেলায় দুইটি গ্রামে দুইটি বাড়িতে করোনার সন্দেহে লকডাউন করা হয়েছে। বিজয়নগরে একজনের নমুনা সহ বিজয়নগর থেকে ঢাকায় ৬ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তারপরও সাধারণ মানুষের যেন টনকই নড়ছে না। নানা অজুহাতে তারা বাইরে ঘোরা ফেরা করছে। প্রয়োজন তো বটেই অপ্রয়োজনেও অনেকে বিভিন্ন পয়েন্টে ভিড় করছেন মানুষ।

উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে টহল দিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন প্রচার প্রচারণা করলেও কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছে না।

সচেতন মহলের একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, যখন প্রশাসনের অভিযান হাট বাজারে আসে। তখন হাট বাজারের চিত্র কিছুটা পরির্বতন ও শান্ত হয়। আবার যখন তারা চলেন যান পূর্বে যে অবস্থা ছিল। সেই অবস্থানে পুনরায় রুপ নেয়। সরকারি নির্দেশনা তারা কোনভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়ার মতামত দেন সচেতন মহলের নাগরিকরা।

তারা বলেন, করোনার ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ রাখার একমাত্র অস্ত্র হলো ঘরে থাকা। আর সবাই সচেতন হওয়া। মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। শুধু প্রশাসন নয়। জনগণ নিজেরা নিজে থেকে গণসচেতনতা বাড়াতে হবে। ঘরে থাকতে হবে। অপ্রয়োজন বাহিরে যাওয়া বন্ধ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহের নিগার বলেন, আমরা মানুষকে ঘরে ফিরাতে সচেতন করছি। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল দিচ্ছে। প্রয়োজনে প্রশাসন আরো কঠোর হবে। তবে জনগণকে অনুরোধ করে বলছি আপনার ঘরে থাকুন। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।