সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নানা প্রয়াস

১৮ এপ্রিল, ২০২০ : ১:৫৮ অপরাহ্ণ ৬৪৮

তেপান্তর রিপোর্ট: মানবিক সহায়তা দিতে হট লাইন চালু করেছেন সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত এবি তাজুল ইসলাম। হটলাইনে ফোন করলে পৌছানো হচ্ছে খাদ্য সহায়তা। তার আগে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ফোনকারী প্রকৃতই দূরাবস্থাতে আছেন কিনা সেটি যাচাই-বাছাই করছেন। তাছাড়া সংক্রমন এড়াতে ভ্রাম্যমান শপ করারও পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যের। যেখানে ন্যায্যমুল্যে মিলবে নিত্য প্রয়োজনীয় সদাই।

করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষের জন্যে এমন নানা পদক্ষেপ আলোচনায় নিয়ে এসেছে তাকে। ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত তাজ বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। জনপ্রতিনিধির অনেকে যখন বর্তমান পরিস্থিতিতে ঘরে মুখ লুকিয়ে থাকার দূর্নামে বিদ্ধ সেখানে ব্যতিক্রম তিনি। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর দফায় দফায় এলাকায় আসছেন । নিজের তরফ থেকে সাড়ে ১২ হাজার মানুষের বাড়িতে পাঠিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী । যারা কর্মহীন-অসহায় তাদের ঘরে ঘরে এই ত্রান পৌছে দেন দলের তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এরআগে উপজেলা সদরে নিজে দাড়িয়ে থেকে প্রত্যেক গ্রামে খাদ্যসামগ্রী ভর্তি গাড়ি পাঠানো তদারকি করেন। পর নিজে আবার ১৩ ইউনিয়নের সবকটি গ্রামে যান। গ্রাম ঘুরে ঘুরে খোজ খবর নেন মানুষের। এসময় ত্রান ঠিকভাবে পৌছলো কিনা তা যাচাই করেন। ধান কাটায় সমস্যা আছে কিনা তা জানতে চান কৃষকদের কাছে। তাছাড়া স্থানীয় ডাক্তার,স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রশাসনের কর্মতৎপরতার খোজখবর রাখছেন প্রতিনিয়ত।

ফোনে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন সবার সাথে। দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ,সবার মুখে তার এই কাজের প্রশংসা। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক এ.কে.এম শহিদুল হক ও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল আহমেদ জানান- সংসদ সদস্যের নির্দেশে এরইমধ্যে ২০ সদস্য বিশিষ্ট ত্রান বিতরন কার্যকরী কমিটি করা হয়েছে। মো: সায়েদুল ইসলাম ভূইয়া বকুল এর আহবায়ক। এই কমিটির সদস্যদের কাছে ২টি হটলাইন নাম্বার দেয়া হয়েছে। এই নাম্বারে ফোন পেলে যাচাই-বাছাই করে পৌছে দেয়া হচ্ছে খাদ্য সহায়তা।

তাছাড়া মানুষজনকে যাতে বাজারে আসতে না হয় সেজন্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ক্রয়ের সুবিধে তাদের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে ভ্রাম্যমান শপ করারও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে রমজানে। যেখানে ন্যায্যমুল্যে মিলবে সদাই। তারা আরো জানান, অবস্থার উত্তরন না ঘটলে আসছে রোজার শুরুতে ১০ হাজার মানুষকে ইফতার সামগ্রী দেয়া হবে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে। যাদের এই সুবিধে দেয়া হবে তাদের তালিকা প্রনয়ন করা হচ্ছে। আবার ঈদের আগেও সমান সংখ্যক মানুষকে ঈদের উপহার দেয়া হবে। ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত এবি তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, এলাকার মানুষের অবস্থা আমাকে ভাবাচ্ছে। আমার অন্তর-আত্বা অনুসাশন দিচ্ছে এগুলো করার জন্যে। আমি আমার সাধ্যমতো,যে সামর্থটুকু সৃষ্টিকর্তা আমাকে দিয়েছেন,তার সবটুকু উজার করে দিয়ে মানুষ যেন ভালো থাকে,সুস্থ থাকে সেই চেষ্টা করছি।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।