বাঞ্ছারামপুরের ফেরিঘাট দিয়ে অবাধে ঢুকছে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকার যাত্রী

১ মে, ২০২০ : ৬:০৮ অপরাহ্ণ ৯৯৪

কাজী আশরাফুল ইসলাম বিপ্লব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর-আড়াইহাজার ফেরিঘাট দিয়ে লকডাউনের মধ্যেও ট্রলার দিয়ে অবাধে মানুষ যাতায়াত করছে। করোনার হটস্পট হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ ও এর পাশের জেলা গাজিপুর ও ঢাকা থেকে অবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর,নবীনগর ও কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় মানুষ প্রবেশ করছে। এতে করে এসব অঞ্চলের মানুষের মধ্যে করোনা ঝুকি বাড়ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে বাইরের মানুষ ফেরিঘাট দিয়ে পাড় হয়ে বাঞ্ছারামপুর ঢুকছে এই প্রশ্ন এলাকার সাধারণ মানুষের। বাঞ্ছারামপুরের সর্বপ্রথম শনাক্ত হওয়া করোনা রুগী নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়ার কারনেই আক্রান্ত হয়েছিল বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বেশি টাকার বিনিময়ে কতিপয় সিন্ডিকেট এই যাত্রী পারাপারে কাজ করছে। ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে এই পারাপার। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ১০ থেকে ২০ টাকা, বর্তমানে তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা জনপ্রতি ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পাড় করছে সিন্ডিকেট।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ৩ ঘন্টায় কম করে হলেও হাজার খানেক লোক ট্রলার দিয়ে বাঞ্ছারামপুরে ঢুকে। এভাবে প্রতিদিনই লোকসমাগম হচ্ছে ফেরিঘাটে। এই সুযোগে এক শ্রেণীর লোক তাদের পকেট ভারি করছে।

এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ তেপান্তরকে জানান, ট্রলার দিয়ে লোক পারাপারের বিষয়টি জানা নেই। যদি তারা ভোর ৫টা থেকে ৮টার মধ্যে এই কাজটি করে থাকে তার মানে হলো পুলিশ অনুপস্থিত থাকার সুযোগে তারা এটি করছে। কারন সেহরির পর মানুষ একটু ঘুমায়। সেই ৩ ঘন্টা সেখানে পুলিশ থাকেনা। তবে এখন যেহেতু জানতে পেরেছি অচিরেই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  • 2.3K
    Shares