পুকুর নিয়ে খুন-খারাবির সম্ভাবনায় থানায় অভিযোগ

৭ মে, ২০২০ : ৬:৫২ অপরাহ্ণ ৭১৮

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের চন্ডালখিল গ্রামে একটি পুকুরের পাড় মেরামত না করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুন খারাবির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে।গত ২৯ এপ্রিল পুকুরের অংশিদার মৃত মোহন মিয়ার ছেলে নাছির মিয়া বাদি হয়ে সদর থানায় এই অভিযোগ করেন। অভিযোগ পত্রে পাঁচ জনের নামসহ আরো ১০/১৫ জনকে আসামী করা হয়। ৫ জন অভিযুক্ত হলেন, মৃত হুরম আলীর ছেলে গাজী মিয়া (৬০), মোস্তফা (৪০), আতাউর রহমান (৫৫) এবং মৃত মহব্বত আলীর ছেলে ফরিদ মিয়া (৫৮) ও বাহার মিয়া (৫২)।

অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়, আসামীরা খুবই খারাপ ও পর সম্পদ লোভী। তারা পুকুরের অংশীদারও বটে। এরা পুকুরের পাড় মেরামত না করেই দীর্ঘদিন যাবৎ পুকুর লিজ দিচ্ছে ও মাছ চাষ করছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই অবস্থা চলায় পুকুর পাড় ভেঙ্গে গিয়ে এখন বাড়ি-ঘড় পুকুরে বিলিন হওয়ার পথে। এর মধ্যে অংশীদার মোহন মিয়ার ছেলে নাসির মিয়ার ঘর যেকোন সময় ভিটাসহ পুকুরে ভেঙ্গে পড়তে পারে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত অংশীদারদের একাধিকবার বলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বরং গত ২৮ এপ্রিল সমস্যা সমাধানের জন্য পাড় বাধার কথা বলায় হুমকি-ধামকি দিয়ে নাছির মিয়াকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ কারনে যেকোন সময় এখানে খুন-খারাবির আশঙ্কায় থানায় অভিযোগ দেন নাছির।

আরেক অংশীদার হিরন মিয়ার ছেলে মাহদি হাসান জানান, ইতোমধ্যে পুকুর পাড় ভেঙ্গে প্রায় ২০ ফুট বাড়ির সীমানায় ঢুকে গেছে। পুকুর পাড় যদি অচিরেই মেরামত করা না হয় তাহলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই আমাদের বাড়ী-ঘর বিলিন হয়ে যাবে।

অভিযুক্তদের একজন হুরম আলীর ছেলে মোস্তফার সাথে দেখা করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তার পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একাধিক সাংবাদিকের নাম বলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। এছাড়াও তিনি বার বার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। অনেক টালবাহানার পর মোস্তফা বলেন, যারা ২/৩ জন অভিযোগ করেছেন তাদের কেউই পুকুরের অংশীদার না।

এবিষয় আরেক অভিযুক্ত মোস্তাফার বড় ভাই গাজী মিয়া সাংবাদিক দেখে হাতে দা নিয়ে তেরে আসেন। তিনি অবশ্য যারা অভিযোগ করেছেন তারাও পুকুরের অংশীদার বলে স্বীকার করেছেন। তবে থানায় অভিযোগ করা নাছিরের ঠিক হয়নি বলে তিনি বলেছেন।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।