নগদ অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন; প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম.পি মোকতাদির চৌধুরীর ক্ষমা প্রার্থনা

১৫ মে, ২০২০ : ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ ১১৭৪

আসাদুজ্জামান আসাদঃ  গতকাল ১৪ই মে (বৃহঃস্পতিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন।প্রতি পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদানে ইতোমধ্যেই সাড়ে ১২শ কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিনা খরচে প্রত্যেক পরিবারের হাতে ঈদের আগেই এই টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও নগদ অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনী সভায় জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  জেলায় মোট ৭৫ হাজার কর্মহীন পরিবারকে প্রতিমাসে ২ হাজার ৫শ টাকা করে প্রদান করা হবে। এরই অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৫টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা তুলে দেয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এসময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সরকারি ওএমএসের চাল নিয়ে হেরফের হয়েছে।

এসব ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আমি এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে খুবই লজ্জিত এবং মর্মাহত। আমাদের কতিপয় লোকের ছোট ছোট ভুলের কারণে কোথাও মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নেই। এ ধরনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, রোজার মাসে মারামারি করা হারাম। আপনারা এই কাজ থেকে বিরত থাকবেন।

তিনি ছাত্রলীগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সম্প্রতি ছাত্রলীগ ধান কেটে দিয়েছিল। কৃষকের গোলায় ধান তুলে দিয়েছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের নামধারী কিছু লোক নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দুর্নাম করেছে। এ ধরনের লোকদেরকে আমরা জায়গা দেই না এবং দেব না।

এ সময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সেনানিবাসের ৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আতাউর রহমান খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীর, পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মো. একরাম উল্লাহ প্রমুখ।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।