নবীনগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের জিডি ও সংবাদ সম্মেলন

২৮ মে, ২০২০ : ৬:২৬ অপরাহ্ণ ৩১৬

মোঃ সফর মিয়া,নবীনগর প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ফেক আইডিসহ দশটি আইডি’র বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করার পর বৃহস্পতিবার রছুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঁঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়ের জবাব দেন উপজেলার রছুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর।

সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে রছুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার (২৮.০৫) দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে আলী আকবর চেয়ারম্যান বলেন, আমি দুই মেয়াদে জনগনের ভালোবাসা নিয়ে সততার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানিত হয়ে একটি মহলের উস্কানিতে কয়েকটি অপরিচিত ও ফেক আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমার সম্মান নষ্ট করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিগনের এহেন কর্মকান্ডে রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ সহ আমি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার কারনেগত ২৪ মে নবীনগর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি।
আপনি তো সরকারী জায়গা দখল করেছেন,সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সুপারিশক্রমে খাস জায়গায় সরকারি বন্দোবস্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আ’লীগ ও তার অংঙ্গসংগঠনের অফিস করা হয়েছে।

আপনি তো সম্পদশালী ব্যক্তিকে সরকারী ঘর দিয়েছেন? আমি ঘর দেওয়ার কে, জমি আছে ঘর নেই সরকারের এ প্রকল্পে একজন অসহায় ব্যক্তি, যার দুটি কন্যা সন্তান প্রতিবন্ধি ,তাকে একটি ঘর বরাদ্ধ পাওয়ার জন্য সুপারিশ করেছি , সরকারী লোক এসে তদন্ত করে ওই পরিবারকে ঘর দিয়েছেন।
আপনার ভাইয়ের নামে সরকারী জায়গার লিজ আপনি এনে দিয়েছেন? আমার ভাই মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি, গত ৪০ বছর ধরে মসজিদ ও মাদ্রাসার দখলে থাকা সরকারি খাস জায়গাটি একটি গর্ত ছিলো, মহল্লার লোকজনের টাকা দিয়ে জায়গাটি ভরাট করার পর কমিটির অনুরোধে মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্যই লিজ আনা হয়েছে।
আপনি বিচারের নামে এক লোকের উপর অবিচার করেছেন? জবাবে চেয়ারম্যান বলেন,গত চার বছর আগে দাররা গ্রামের চাচা ভাতিজার মারামারি ঘটনায় তিন গ্রামের সাহেব সর্দারদের সালিশ দরবারে ১৭ জন জুড়িবোর্ডের সদস্যর মাধ্যমে রায় আসে,তার বৃদ্ধ আপন চাচা ফরিদ মিয়াকে মেরে রক্তাক্ত করার অপরাধে, ভাতিজা হাসান বশিরকে আর্থিক জরিমানা ও মাপ চাইতে হবে সে রায় কার্যকর হয়েছে।
আপনার অফিসে এক যুবককে পিটিয়েছেন? ওই যুবক একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী, এলাকার লোকজন তাকে ইয়াবাসহ আমার অফিসে ধরে নিয়ে আসার পর ধমক দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করেছি, হাতে লাঠি নিয়ে তাকে ভয় দেখানো হয়েছে, তার সাথে আর কারা আছে জানার জন্য। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়েছে জানিয়ে আলী আকবর বলেন, এ সকল কার্যক্রমে আমার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ নেই, দলীয়, এলাকাবাসি ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এ গুলো করা হয়েছে। এই কাজগুলো করা যদি আমার কোন অপরাধ হয়ে থাকে তা হলে যে কোন সাজা মাথা পেতে নেব।
প্রসঙ্গত, নবীনগর উপজেলায় নাম সর্বস্ব অনেক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে প্রায়ই, সাংবাদিক,রাজনৈতিক ব্যক্তি বা পত্রিকার অন্তভুর্ক্ত নয়। মানুষকে হয়রানি, সম্মানহানী ও তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থেই ওইসব ফেক আইডিগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

  • 92
    Shares