খালিপেটে লিচু খেলে হতে পারে মৃত্যু,বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে

১১ জুন, ২০২০ : ১২:৫৯ অপরাহ্ণ ১০৪৭

আসাদুজ্জামান আসাদঃ এই মৌসুমের বাহারি সব ফলের মধ্যে লিচু অন্যতম একটি ফল। এর স্বাদের জন্যই মূলত গরমে এই ফলের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। লিচুতে পানির পরিমান থাকে প্রায় ৮০ ভাগ। তাই তীব্র গরমে পানির চাহিদা পূরণে লিচুর তুলনা হয় না।

কিন্তু সুস্বাদু আর মুখরোচক ফলটি খেয়ে শি’শুমৃ’ত্যুর ঘ’টনা শোনা যাচ্ছে গত কয়েক বছর ধরেই। বাংলাদেশে এই মৃ’ত্যুর হার খুব বেশি না হলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এই ফল খাওয়ার ফলে শিশু মৃ’ত্যুর হার ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে।

মে ও জুন মাস হল লিচুর সময়। কিন্তু প্রতিবছর মে ও জুন মাসে ভারতের মুজাফফরপুরে দেখা যেত, শতাধিক শিশু হঠাৎ করে খিঁচুনি উঠে নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।শুধু ভারতেই নয়, লিচু খেয়ে শিশু মৃ’ত্যুর ঘ’টনা ঘ’টেছে এ আমাদের দেশেও। ২০১২ সালে দিনাজপুরে ১৩ শিশুর মৃ’ত্যু ঘটেছিল লিচু খাওয়ার ফলে। ২০১৫ সালেও একই কারণে একই জেলাতেই ১১ শিশুর মৃ’ত্যু ঘটে। এইসব মৃ’ত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এই ফলটি শিশুর অভিভাবকদের কাছে একটি ভী’তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, হা’ইপোগ্লা’ইসিনের নামের বি’ষাক্ত প’দার্থ এবং লিচুতে অ’তিরিক্ত কী’টনাশক ব্যবহারের ফলে বাচ্চারা মা’রাত্মক হা’ইপোগ্লা’ইসেমিয়ায় ভোগে, কখনো ‘চুনি ওঠে অথবা হা’ইপোগ্লা’ইসিনের কারণে তারা মারা যায়। এটা মূলত উত্তর ভারতের দিকেই হয়, যেখানে অ’ভাবের কারণে বাচ্চারা একবেলা না খেয়ে থাকে, আর লিচু সেখানে খুবই স’স্তা বলে রাতের খাবারের পরিবর্তে তারা লিচু খায়।

বি’শেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন শিশুদেরকে অবশ্যই রাতের খাবার ঠিকমত খেতে হবে এবং খালি পেটে লিচু খাওয়ানো থেকে বিরত রাখতে হবে। এ বিষয়ে বাবা-মাদেরকে অবশ্যই স’চেতন হতে হবে।লিচু খাওয়ার পর বাচ্চা অসুস্থ হলে, সাথে সাথে তাকে গ্লুকোজ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।