ক্ষমা চাইলেন ‘বিতর্কিত’ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক সভাপতি শেখ রাসেল

৩১ জুলাই, ২০২০ : ১০:১০ পূর্বাহ্ণ ১৩৪৯

তেপান্তর রিপোর্ট: ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে তুমুল আন্দোলন গড়ে ওঠে তখন ৩০% কোটা বহাল রাখার দাবিতে পাল্টা আন্দোলনে নামে মুক্তিযুদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে গড়ে প্লাটফরম ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’।যাতে অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনকে আহবায়ক করা হয়।

কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ গঠনের ৬মাসের মাথায় জন্ম দেয় বিতর্ক। ১০ অক্টোবর অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানায়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করার কারণে মঞ্চের ঢাবি শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই দিন আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও আল মামুন পাল্টা বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদেরকে মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে নতুন কমিটির ঘোষণা দেন।

তখন থেকেই কেন্দ্রীয় কমিটি হয়েছে দুটি,প্রতিটি জেলাতেও রয়েছে দুটি করে কমিটি। যদিও গঠনের ২২ মাসেও মিলেনি অনুমোদন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও এখন রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের দুইটি কমিটি।যদিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ আওয়ামীলীগের কোন প্রকার সহযোগি কিংবা ভ্রাতৃপ্রিতম সংগঠন নয়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাবেক সভাপতি শেখ রাসেল তেপান্তর কে জানান,মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ একটি অনুমোদনহীন ভূঁইফোড় সংগঠন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক এইচ এম আল আমিন ভাইয়ের অনুরোধে এবং এই সংগঠনের নামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে না বুঝে এই আমিনুল ও আল মামুন এর গ্রুপে সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম।
জেলার দায়িত্ব নেয়ার পর জানতে পারি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটি দুইটি। এর মাঝে আমিনুল-মামুনদের কমিটি বহিস্কৃত। তবু প্রতিটি জেলাতেই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের দুইটি করে কমিটি রয়েছে।
তিনি আরো বলেন,আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। সদর উপজেলা ছাত্রলীগের টানা দুইটি কমিটিতে যুগ্ন-আহবায়ক হিসেবে ছিলাম।তাই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকান্ডে বিব্রত হয়ে এবং জেলা আওয়ামীলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তির পর স্ব-ইচ্ছায় অব্যাহতি নেই। কারন আওয়ামী লীগের রাজনিতির বাইরে গিয়ে রাজনিতি করার কোন ইচ্ছে আমার নেই।
আমি অজ্ঞতাবশত আমার এই ভুলের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সদর ৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী সহ জেলা আওয়ামীলীগের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  • 405
    Shares