চেয়ারম্যান হয়েও মুরুব্বীদের পরার্মশ নিয়ে কাজ করেছি, এখন সেটা হয়না

১৬ আগস্ট, ২০২০ : ৯:১০ অপরাহ্ণ ২১১৮

আবু সাঈদ (লাল মিয়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। ৭৫ বছরের জীবনে তিনি তৃণমূল রাজনীতি ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দায়ীত্ব পালন করেছেন সফলতার সাথে। একই সাথে তিনি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানা (তখন জেলা হয়নি) উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেছেন দুই বার। ১৯৭২ সাল থেকে টানা ৪৫ বছর শরীফপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে সু-নামের সাথে দায়ীত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করার জন ভারত গমন করেন। সেখানে বীজনা ক্যাম্পে যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহন করেন। দেশে ফিরে এসে যুদ্ধকালীন সময়ে নিজে আহবায়ক হয়ে গঠন করেন সংগ্রাম পরিষদ। ১৯৬৯ সাল থেকে ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে শরীফপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি। ১৯৭০ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত খোলাপাড়া জুনিয়র স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে এই স্কুলকে উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তার রয়েছে অমূল্য অবদান। ১৯৭৭ সালের পর শরীফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হোন আবু সাইদ লাল মিয়া। ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত নবীনগরের বীরগাও উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন তিনি। দীর্ঘ ৯ বছর খোলাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং ৩ বছর খোলাপাড়ার শাহ ফরাছত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়ীত্ব পালন করেন। র্দীঘদিন আশুগঞ্জের ফিরোজ মিয়া ডিগ্রী কলেজের উপদেষ্টার দায়ীত্ব পালন করেছেন তিনি। এছাড়াও সুন্দর সমাজ বির্নিমানে তার আছে আরো অনেক অবদান। সম্প্রতি তৃণমূল রাজনীতি,শরীফপুর গ্রামের বিভিন্ন সমস্যা-সম্ভাবনা ও জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডের বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি খোলাখুলি কথা বলেছেন তেপান্তরের সাথে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সীমান্ত খোকন

তেপান্তর: কেমন আছেন?

আবু সাইদ লাল মিয়া: আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি।

 

তেপান্তর: প্রথমেই আপনার রাজনীতির শুরুর দিকের কথা যদি বলেন।

লাল মিয়া: আমরা ৬১/৬২ সালে তালশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে আমরা পড়াশোনা করি। আর তখন এটাই ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র উচ্চ বিদ্যালয়। তখনই পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের শাসন চলতো। তখনকার শিক্ষা কমিশনার হামিদুর রহমান একটা কমিশন পেশ করলেন। এই কমিশনের বিরুদ্ধে সমস্ত পাকিস্তানের ছাত্ররা একটি আন্দোলন শুরু করলেন। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ট্যাঙ্কের পাড় একটি মিটিং হয়েছিল। সেই মিটিংয়ে আমাদের তালশহর স্কুলে দাওয়াত করতে এসেছিলেন জননেতা মাহবুবুল হুদা ভূইয়া,শফিকুল ইসলাম খান ও আরো কয়েকজন। তখন একটা মেইল ট্রেন ছিল, সেটিকে তালশহর থামিয়ে সেটা দিয়ে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। তখন থেকে আমি ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত। তখন আমার নেতা ছিল জননেতা মাহবুবুল হুদা ভূইয়া,শফিকুল ইসলাম খান ও এড তফসিরুল ইসলাম। তখন আমরা আস্তে আস্তে ছাত্রলীগে যোগ দেই। তারপর ব্্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি করেজে ভর্তি হই। কলেজে ঢুকার পর ছাত্রলীগে সরাসরি অংশগ্রহন করি। তবে আমার রাজনৈকিত গুরু ছিলেন জননেতা মাহবুবুল হুদা ভূইয়া। তারপর ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আন্দোলনে অংশগ্রহন করি। তারপর আছে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। সেই আন্দোলনেও অংশগ্রহন করি। পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের একটি ১১ দফা আন্দোলন ছিল,সেটাতেও অংশগ্রহন করি। ৬৯ এর গণঅভ্যূথানেও অংশগ্রহন করি। তারপর ৭০ এর জাতীয় নির্বাচনে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামীলীগের হয়ে নির্বাচনে কাজ করি। তারপর যখন বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি তখন ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে বলেছিলেন যেন আমরা জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করি। তখন আমি শরীফপুর ইউনিয়নে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করি। সেটার আহবায়ক আমি ছিলাম। তারপর ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করি। তারপর ৭২ এ জননেতা মাহবুবুল হুদা ভূইয়া খোলাপড়া একটি অনুষ্ঠানে আসেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রথম আমাকে শরীফপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই ১৯৭৬ সালে।

 

তেপান্তর: শরীফপুর আওয়ামীলীগে অতীতে আমরা তেমন কোন কোন্দল, হানাহানি বা গ্রুপিং দেখিনি। কিন্তু বর্তমানে এগলো হচ্ছে,কেন?

লাল মিয়া: বর্তমানে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগে আহবায়ক কমিটি চলছে। কমিটির আহবায়ক ছিলেন শফিউল্লাহ মিয়া ও যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন নাসির আহমেদ। পরে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলো। তখন নাসির আহমেদের নেতৃত্বে আরেকটা ভাগ হয়ে গেছে। হাজি সফিউল্লাহ তখন পুরাতন কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি তৈরির চেষ্টা করলেন। তখন এই কমিটির সূত্র ধরে শরীফপুরে কমিটি গঠন হলো, যার সভাপতি মহিউদ্দিন ও সম্পাদক হলেন আবুল বাশার। এভাবে প্রত্যেক ইউনিয়নে সফিউল্লাহ সাহেব কমিটি গঠন করেছেন। আর শরীফপুরের আগের কমিটি ছিল শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক ছিল মহিউদ্দিন। আর এখন শরীফ আছেন নাসির সাহেবের সাথে। গত ১৫ আগষ্টে সফিউল্লাহ সাহেবের কমিটি অনুষ্ঠান করেছে। আশুগঞ্জ উপজেলা কমিটিতে যখন বিরোধ দেখা দিলো তখন প্রত্যেক ইউনিয়নে তার প্রভাব পড়েছে।

 

তেপান্তর: বর্তমানে গ্রামের ওর্য়াড পর্যায়ের কমিটির ছোট ছোট ছেলেরা রাজনৈতিক নেতা সেজে ব্যনার-ফেস্টুন লাগায়,ফেইসবুকে প্রচার করে। এই বিষয়টা কিভাবে দেখেন।

লাল মিয়া: কর্মের মাধ্যমে হলো রাজনীতি। আমরা যারা রাজনীতি করেছি তারা কর্মের মধ্যে পরিচয় পেয়েছে। কাগজে কলমে কিন্তু নেতার পরিচয় না। ফেইসবুকে দিয়ে রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায়না। নেতা হতে হলে জনগনের কাছে যেতে হবে। তৃণমূলে যারা আছেন তারাও নেতা মানতে হবে। এখন ফেইসবুকে যারা দেয় তারা তাদের নিজেদের অবস্থান জাহির করার জন্য এটা করে। মূলত রাজনীতি কিন্তু এটা না। যেমন মাহবুবুল হুদার নাম বললাম নিশ্চয় আপনারা তাকে চিনেন। তিনিতো পৌরসভার মেয়র ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, কিন্তু তারাতো নিজের প্রচার করেনি। যেমন বর্তমান আওয়ামীলীগের সাাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, তিনি তুখোর ছাত্র নেতা ছিলেন। তিনি অত্যন্ত সংগ্রামী ও পরিশ্রমী নেতা। মাহবুবুল হুদা জনগনের কাছে গিয়েছেন তাদের জন্য কাজ করেছেন। এখন যারা ফেইসবুকে দিয়ে রাজনীতি করতে চায় তারা কোন রাজনীতির আওতায় আসেনা। এতে করে কেউ বড় নেতা হতে পারবেনা। কাজেই আসল পরিচয়।

 

তেপান্তর: একজন রাজনীতিবীদ কেমন হওয়া উচিৎ।

লাল মিয়া: রাজনীতির যে অবস্থা এখন তা দেখে মনে হচ্ছে রাজনীতি এখন ব্যাক্তিগত গ্রাসে চলে যাচ্ছে। এটা ঠিক না। প্রত্যেক রাজনীতির একটা আদর্শ আছে। আদর্শটাই হলো সবচেয়ে বড় জিনিষ। নিজের চেয়ে আদর্শ বড় এটা মনে রাখতে হবে। আদর্শ ঠিক থাকলে রাজনীতি ভালো থাকবে।

 

তেপান্তর: কেন্দ্রীয় রাজনীতির সাথে তৃণমূলের রাজনীতির তফাৎ কি?

লাল মিয়া: প্রত্যেক রাজনৈকিত দলের গঠনতন্ত্র আছে। সে অনুযায়ী যদি কমিটি হয় তাহলে কারো মনে কোন ক্ষোভ থাকেনা। এটা না করে যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য করে তাহলেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দুঃখ্য থাকে। তখনই রাজনীতিতে দ্বন্ধ আসে। আমি যখন ৪৫ বছর সভাপতি ছিলাম তখন নেতারা দেখতো কে কাজ করে, কে পাশে আছে, কে জনগনের সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এখকার রাজনীতি হলো কে কাকে বেশি তৈল মর্দন করতে পারে। কিন্তু আগে তা ছিলোনা।

তেপান্তর: ওর্য়াড বা ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে জেলা-উপজেলার নেতাদের সর্ম্পক কেমন হওয়া উচিৎ।

লাল মিয়া: জেলা-উপজেলার তারা যখন ছোটদের সাথে সর্ম্পক ভালো রাখেনা তখনই দেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। আমি মনে করি প্রত্যেক নেতাদেরই তৃণমূলদের মূল্যায়ন করা উচিৎ। তাদের খুশি রাখলেই তাদেরও নেতাদের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা থাকবে। তখন সব কিছুই ঠিক-ঠাক চলে। তবে আশুগঞ্জে যারা রাজনীতি করে তারা স্বার্থ ছাড়াই করেন। যা দ্বন্ধ আছে তা শুধু পদ পদবী নিয়েই।

 

তেপান্তর: আপনি যখন চেয়ারম্যান ছিলেন তখন কিভাবে জনগনের সেবা করেছেন, আর বর্তমানের জনপ্রতিনিধিরা কিভাবে করছেন?

লাল মিয়া: আমি যখন নির্বাচন করেছিলাম তখন খুব কম টাকায় করেছিলাম। এখনকার মতো এত টাকা দিয়ে নির্বাচন করিন। তখন আমরা চেয়ারম্যান হলেও মুরুব্বীদের পরার্মশ নিয়ে কাজ করতাম। এখন নির্বাচন করলে দুই দল হয়ে যায়। একটা বিজয়ী আরেকটা পরাজিত। তখন নির্বাচনের পর এই দুই দল মিলে কোন্দল শুরু করে। তা ঠিক নয়, একে অপরকে সহযোগীতা করে এলাকার উন্নয়ন করা উচিৎ।

 

তেপান্তর: শরীফপুর গ্রামে ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে, তাহলে কি এই গ্রাম অনৈক্য?

লাল মিয়া: গ্রামের যুবকরা আমার কাছে এসেছিল। তারা বললো গ্রামের কিছু উন্নয়কমূলক কাজ ও কিছু সমস্যার ব্যপারে আমরা সবাই এক সাথে বসতে চাই। তখন আমি বললাম ভালো কথা, চেষ্টা করে দেখো। কিছু ব্যক্তিগত মামলা-মোকদ্দমা আছে। জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিকও কিছু ঝামেলা আছে। বা আরো কিছু কারন আছে যা নিয়ে যুবকরা সমাধানের পথ খুজছে। তবে এসব মামলা মুকদ্দমা নিয়েই এলাকায কিছু দ্বিদ্বা বিভক্তি আছে। দেখো, আসল কথা বলতে কি, আমরা যখন চেয়ারম্যান ছিলাম তখন মুরুব্বীদের উপদেশ মেনে নিয়েছি। কিন্তু এখন তেমনটা নেই। গ্রামে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে যা আমি এবং জাহের চেয়ারম্যান দুজনেই অসুস্থ হওয়ায় সমাধান করতে পারছিনা। যুবকরা সেই সমাধানের চেষ্টাটা করছে। আর আমিও তাতে সাই দিয়েছি। যেহেতু আমরা পারছিনা।

 

তেপান্তর: একজন জনপ্রতিনিধি কেমন হওয়া উচিৎ।

লাল মিয়া: নির্বাচনে জেতার পরও যারা ভোট দেননি তাদের কাছেও যাওয়া উচিৎ। একজন জনপ্রতিনিথিধ সার্বজনীন। যারা ভোট দেননি তাদের মনও জয় করা উচিৎ। সব জনগনকে একই চোখে দেখা উচিৎ।

 

তেপান্তর: গ্রাম উন্নয়নে আপনার ভূমিকা কি ছিল?

লাল মিয়া: আড়াইসিধার শফিকুল আলম বিদুৎ সচিব ছিলেন, তিনি আবার আমার মামা লাগেন। তখন আমরা চিন্তা করলাম আমাদের গ্রামে কিভাবে বিদুৎ আনতে পাড়ি। তখন আমি, জাহের চেয়ারম্যান, ছায়েদ মেম্বার,আফিল উদ্দিন, হাসান মেম্বারসহ সাহেব সর্দারদের নিয়ে তার কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বললাম। তখন আমি চেয়ারম্যান। তখন সরকারি নিয়মে শরীফপুর গ্রাম তখন বিদ্যুতের জন্য বরাদ্দ হয়নি। হয়েছে অন্য গ্রাম। তখন এই সচিবকে দিয়ে তদ্বীর করে বিদ্যুতের কুমিল্লা অফিসে গিয়ে অনেক কষ্ট করে আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ আনি। এছাড়াও ২০১২/১৩ এর দিকে শরীফপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জুনিয়র হাই স্কুলে উন্নীত করেছি। সেটা হওয়ার কথা ছিল হোসেনপুর স্কুলে সেটাকে শরীফপুর নিয়ে এসেছি। এমপি জিয়াউল হক মৃধাকে ধরে এই কাজটা করেছি। এই কাজে আরো বেশি সহায়তা করেছেন জাহের চেয়ারম্যান, ছায়েদ মেম্বার, দুুলাল মেম্বারসহ আরো অনেকে। শরীফপুরের একমাত্র ও প্রধান সড়কটি আদু উজিকে ধরে তৈরি করেছিলাম। রাস্তাটা তৈরি শুরু হয়েছিল মর্তুজা আলী চেয়ারম্যানের আমলে। আর শেষ হয়েছিল আমার আমলে। এখানেও জাহের চেয়ারম্যান ও ছায়েদ মেম্বার বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন। কারন সংগ্রাম পরবর্তী সময়ে ওইদিকের সব জমি ছিল ওই আদু উজির। ফলে আমি গ্রামের সাহেব সর্দারদের নিয়ে অনেক কষ্ট করে তাকে বুঝিয়ে তার জমি নিয়ে আমরা সড়কটি তৈরি করেছিলাম। তবে এই কাজে শরীফপুরের সায়েদ মেম্বার অনেক গরুত্বর্পূণ ভূমিকা রেখেছেন।

তেপান্তর: সময় দেওয়ার জন্য আপনকে ধন্যবাদ।

লাল মিয়া: আপনাকেও ধন্যবাদ।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।