শিগ্রই ভারতীয় পেয়াজ আসতে পারে বাংলাদেশে

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ : ১১:০৩ অপরাহ্ণ ৩০৯

তেপান্তর রিপোর্ট: শিগ্রই ভারতীয় পেয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি শুরু হতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতীয় পেয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধের পর দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই-কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ভারতের পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করেন।  এর প্রেক্ষিতে ভারতের পররাস্ট্র সচীব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি চালু করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেন।

দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই-কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান ভারতের পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়কে জানান, বাংলাদেশে ভারত পেয়াজ রপ্তানি হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার ব্যপারে আগেভাগে কোন জানানো হয়নি। ফলে বাংলাদেশ পেয়াজের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তাই পেয়াজের বাজার দর নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এঘটনার পর পররাস্ট্র সচীব হর্সবর্ধন শ্রিংলা বানিজ্য মন্ত্রনায়লকে অনুরোধ করেছেন যেন বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধের বিষটি শিথিল করা হয়।

জানা যায়, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলেও যেসব রপ্তানির জন্য লেটার অব ব্যাংক ক্রেডিট ইস্যু হয়েছে, সেসব  রপ্তানি অনুমোদন করা হবে। যার পরিমাণ ২০-২৫ হাজার মেট্রিক টন। এ পরিমাণ পিঁয়াজ বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছালে দাম কমতে পারে।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, এবছর দেড়ীতে ভর্ষা হওয়ার পেয়াজ উৎপাদন কম হয়েছে। যদিও এখনো দাম খুব বাড়েনি তবে পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে। আগামী বিহার নির্বাচন নিয়ে বিজেপি কিছুটা উদ্বিগ্ন। সরকার চায়না নির্বাচনের আগে পেয়াজের দাম বাড়ুক। তাই বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।

ইন্ডিয়া হঠাৎ বাংলাদেশে পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে পেয়াজর দাম বাড়তে শুরু করেছে। গত দুই দিনের ব্যবধানে পেয়াজ কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ৪০/৫০ টাকা। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এর কয়েক মাস আগেও পেয়াজের দাম অগ্নিমূল্য ধারণ করেছিল। তখন প্রতি কেজি পেয়াজ ২০০/৩০০ টাকায় কিনতে হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি আবার পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় আবারও পেয়াজের বাজার অস্থির হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।