তেপান্তরের পক্ষ হতে জনসাধারণের প্রতি সতর্কবার্তা

৮ অক্টোবর, ২০২০ : ১:৫০ অপরাহ্ণ ৫২৭

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা তেপান্তরের নাম ব্যবহার করে সম্প্রতি কতিপয় ব্যক্তি বিভিন্ন মানুষকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছে। তেপান্তরের সাবেক প্রতিবেদক আসাদুজ্জামান আসাদের পরিচয় দিয়ে ও তেপান্তরের নাম ব্যবহার করে 01915026589 এই ফোন নম্বর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সিনিয়র সাংবাদিকের আত্নীয়কে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন তেপান্তরের সম্পাদক সীমান্ত খোকনকে অবগত করলে যাচাই করে দেখা যায় ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই নম্বরটি আসাদের নয়।

আসাদুজ্জামান আসাদ এক সময় তেপান্তরের ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তেপান্তরে তিনি কাজ করেন না। বর্তমানে তেপান্তরের সাথে তার কোন সাংবাদিকতার সর্ম্পক নেই। তাই কোথাও আসাদুজ্জামান আসাদের নাম ও তেপান্তরের নাম একসাথে ব্যবহার করে যেকেউ হুমকি-ধামকি দিলে সেটিকে ভুয়া হিসেবে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।

বর্তমানে তেপান্তরের সম্পাদক সীমান্ত খোকনসহ রিপোর্টার হিসেবে নিয়োজিত আছেন কাজী আশরাফুল ইসলাম বিপ্লব,  ও মোঃ সফর মিয়া (নবীনগর)।এছাড়াও ইতালীতে ইতালী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োজিত আছেন মইনুল ইসলাম। এবং তেপান্তরের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ভিপি হাসান সারোয়ার। এর বাইরে বর্তমানে তেপান্তরে আর কেউ কোন রকম পদে নিয়োজিত নেই। এবিষয়ে সকলকে সর্তক থাকার আহবান জানানো হচ্ছে। এর বাইরে কেউ তেপান্তরের পরিচয় দিলে তাকে বসিয়ে রেখে তেপান্তর কর্তৃপক্ষের সাথে অথবা থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। সম্পাদকের মোবাইল ০১৭২৬৩৩৫০৮৬।

এবিষয়ে তেপান্তরের সাবেক প্রতিবেদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমি কাউকে ফোন করে হুমকি দেইনি।কয়েকদিন আগেও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিজন ভাইয়ের কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গিয়েছে আমি নাকি অবৈধ গ্যাস লাইনের ব্যপারে কি করেছি। এসবই মিথ্যা। আমার শত্রুরা হয়ত চায়না আমি সাংবাদিকতা করি তাই এসব করা হচ্ছে।

এবিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন বলেন, সম্প্রতি যেই নম্বর থেকে (01915026589) আমার আত্নীয়কে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই নম্বরের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

এবিষয়ে তেপান্তরের সম্পাদক সীমান্ত খোকন বলেন, তেপান্তর সবসময় সচ্ছতার সাথে সাংবাদিকতা করার নীতি নিয়ে চলে। তেপান্তর কাউকে হুমকি দেয়না বরং সংবাদ প্রকাশ করে দিতেই বেশি আগ্রহী। কোন রাজনৈতিক দল বা বিশেষ কোন গোষ্ঠির মুখপাত্র হিসেবে নয় বরং সবাই যেটা লিখতে ভয় পায় সেটাই অবলীলায় লিখে চলছে তেপান্তর। ক্রাইম রিপোর্ট,মতামত ও বিশ্লেষণ ধর্মী লিখনীতে তেপান্তর এখন পাঠকের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছে। তাই তেপান্তরের নাম ব্যবহার করে অনেকেই ফায়দা হাসিল করার চেষ্টা করবে, কিন্তু সবার সতর্ক থকা উচিৎ।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।