ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ‘আজব,গজব, গুজব’ বললেন সিভিল সার্জন

২০ অক্টোবর, ২০২০ : ৭:৩৭ অপরাহ্ণ ৬২৫

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ‘আজব’, ‘গজব’ ও ‘গুজব’ বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অবৈধ হাসপাতাল ও চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন ব্যর্থতার দিক নিয়ে এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এই কথা বলেন। শুধু তাই নয়, সিভিল সার্জন তার অফিসেও সবসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নিয়ে এমন কটাক্ষ-পূর্ণ কথাবার্তা বলেন বলে জানিয়েছেন তারই অফিসের একজন কর্মী।

সাংবাদিকের সাথে আলাপকালে সিভিল সার্জন আরও জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে তিনি আর থাকতে চান না। তিনি এখান থেকে চলে যেতে চান।
তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ খুব খারাপ কিনা জানতে চাইলে তখন তিনি বলেন, “এখানে আমি আপনাদের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি”। তবে আমি আন্তুরিকতার সাথে কয়েকদিন কাজ করেছি,যেন মানুষকে সেবা দেওয়া যায়।

অনুমোদন হীন হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবিষয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, মোবাইল কোর্ট হচ্ছে। তবে কখন,কোথায় ও কোন কোন হাসপাতালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি এর কোন সু-নির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেছেন, এবিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এডিএম সেকশনে খোজ নিতে।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রায় শতাধিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকলেও অনুমোদন আছে মাত্র ৪টির,আর বাকি সব অনুমোদন হীন। আর পুরো জেলায় অনুমোদন আছে মাত্র ১০টি হাসপাতালের। অথচ পুরো জেলায় হাসপাতাল আছে কয়েকশ। এই বিষয়টি নিয়ে তেপান্তরে দুই দফা অনুসন্ধানী নিউজ প্রকাশ হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন এসবের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। বরং তাকে এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে কটাক্ষ করে কথা বলেন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চলে যাবেন বলে জানান।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন অফিসের একটি সূত্র তেপান্তরকে জানিয়েছেন, তেপান্তরে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সিভিল সার্জনকে মূলত ময়মনসিংহ বা নেত্রকোনা জেলায় বদলি করা হচ্ছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।