চিকিৎসাকে সিল মেরে দিচ্ছেন সদর হাসপাতালের ডাক্তার রিয়াজ

২৩ অক্টোবর, ২০২০ : ৪:০৬ অপরাহ্ণ ১৩৮৫

তাজরিন রহমান তিশা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল (সদর) হাসপাতালে রুগীর প্রেসক্রিপশনে ঔষধের নাম কলম দিয়ে লিখার পরিবর্তে সিল মেরে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে। যদিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবাসহ অনেক বিষয় নিয়েই প্রতিনিয়ত অনিয়ম-দূর্নীতি হচ্ছে, কিন্তু প্রেসক্রিপশনে ঔষধের নাম সিল মেরে দেওয়া মানে রোগীদেরকে ডাক্তারের অবহেলারই প্রমান, এমনটি মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

প্রেসক্রিপশনে দেখা যায় সিল দেওয়া তারিখ,যেখানে লিখা রয়েছে “২১ ০০৭, ২০২০”। রোগীর নাম অস্পষ্ট অক্ষরে লিখা রয়েছে আলামিন।

এই রোগীর চিকিৎসা করেছেন ডা.খান রিয়াজ মাহমুদ জিকো। অভিযোগ আছে, ডাক্তার রিয়াজ রোগীকে দরজায় দাড় করিয়ে রেখে রোগীর শারিরিক সমস্যার কথা ঠিক ভাবে না শুনে টিকেটের উপর চট করে একটা সিল মেরে দেন। সেই সিলে ৬ টি ঔষধের নাম লিখা। এই ঔষধগুলোর ৪টি ১৫ দিন করে ও দুইটি ১ মাস করে খেতে বলা হয়েছে। ঔষধের নাম ও খাওয়ার নিয়ম সবই এই সিলে লিখা আছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, আগে থেকেই যদি রোগের একাধিক ঔষধের নাম একসাথে লিখে সিল বানিয়ে রাখা হয় এবং সেই সিল মেরে মেরে চিকিৎসা করা হয় তাহলে কি সেই চিকিৎসা শতভাগ শুদ্ধ হবে কিনা?

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল (সদর) হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শওকত তেপান্তরকে জানান, সিল মেরে ঔষধ দেওয়া যৌক্তিক নয় আমিও মানছি। আমরা এ বিষয়ে ডাঃ রিয়াজের সঙ্গে কথা বলবো। এবং ভবিষ্যতে এই বিষয়টি যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার দিকেও খেয়াল রাখবো। আমাদের কাজ রোগীদের সেবা দেওয়া এবং সেটুকু নিশ্চিত করার জন্য যতটুকু করা প্রয়োজন আমরা করছি। আর দরজায় রোগীকে দাড়িয়ে রাখার প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, “করোনা ভাইরাসের নিয়ম কানুন মেনেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এই ব্যবস্থা তারা গ্রহন করেছে”।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।