বিনাধান-১৬ উচ্চ ফলনশীন জাত সম্প্রসারনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

৫ নভেম্বর, ২০২০ : ২:৩৭ অপরাহ্ণ ২৭৩

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিনাধান-১৬ আবাদ শুরু হয়েছে। চলতি আমন মৌসুমে কৃষি গবেষনা ইনস্টিউটের উদ্ভাবিত এ জাতের ধান ব্যাপক আবাদ হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় বিনাধান-১৬ উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাতটির ব্যাপক সম্প্রসারনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। সদর উপজেলার অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের মোহনপুর ব্যংকের পুথাই গ্রামে এর আয়োজন করা। হয়। সহযোগীতায় ছিল বাংলাদেশ পরমানু গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

প্রধান অতিথি বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনসিটিউট (বিনা) মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত কৃষকদের সাথে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুন্সী তোফায়েল হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লার বিনা উপকেন্দ্র’র উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাবিবুর রহমান, কুমিল্লার বিনা উপকেন্দ্র’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রাকিব, কুমিল্লার বিনা উপকেন্দ্র’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ অর্পিতা সেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুশান্ত সাহা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমেনা বেগম প্রমুখ। মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক অংশ নেন। এর আগে অতিথিগন শস্য কর্তন উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, এটি একটি স্বল্প জীবনকালীন জাত। বীজতলায় বপনের পর মাত্র ৯৬ দিনের মধ্যে এর ফসল কর্তন করা যায়। আর প্রতি হেক্টরে ৫ টন ফলন দিতে সক্ষম এ বীজটি। স্বল্প সময়ে অধিক ফলন দেয়। এ জাতের ধান চাষ করে সহজেই রবি ফসল বিশেষ করে সরিষা আবাদ করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পুথাই গ্রামের ৬০ ভাগ জমিতে এ ধানের চাষ করা হয়। প্রতি কানিতে খরচ মাত্র ২৭শত থেকে ২৮শত টাকা মাত্র।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।