নবীনগরে ভাগিনার সম্পত্তি দখল করে মামার মার্কেট নির্মাণ

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ : ২:০০ অপরাহ্ণ ৩০৪

মো. সফর মিয়া: ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারের মকবুল টাওয়ারটি (খাঁজা মার্কেট) ভাগিনা মানিক মিয়া ওরফে মাইনুদ্দিন ও এতিম ভাগিনা মো. ইয়ার হোসেন (ওয়ারিশ সূত্রে) এর সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে মামা সহিদ মিয়া জোরপূর্বক মার্কেট নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উত্তর বাঙ্গরা মৌজার সাবেক সেঃ মেঃ ১২৫৮, ১২৫৯ হালে ৩৬০১ ও ৩৬০২ দাগের আন্দরে ১০ শতক জমির মালিক মৃত মকবুল হোসেন। বাবা মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ সূত্রে ওই ১০ শতক জমির মালিক ৪ ছেলে ও ৩ মেয়ের হওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে ছেলে সহিদ মিয়া তার বোন মৃত বানু বেগম এর ছেলে মানিক মিয়া ওরফে মাইনুদ্দিন ও আরেক বোন মৃত হালিমা বেগম এর ছেলে মো. ইয়ার হোসেন এর অংশের জমি বুঝিয়ে না দিয়ে সেই স্থানে মার্কেট নির্মান কাজ শুরু করে।

এক পর্যায়ে ওয়ারিশ সূত্রে ওই জমির অংশ বুঝে পেতে ভাগিনা মানিক মিয়া ও ইয়ার হোসেন তাদের মামা সহিদ মিয়ার নিকট আবদার করলে সহিদ মিয়ার সাথে তাদের মতবিরোধ হলে তারা বাঙ্গরা বাজার ব্যবসায়ি কমিটির দারস্থ হলে উনারা সালিশ করেও এর কোন সুষ্ঠু সমাধান করতে পারেননি।

নবীনগর থানার এস.আই মোঃ খলিলুর রহমানের করা এক প্রতিবেদনে দেখা যায় মৃত মকবুল হোসেন এর মেয়ে মৃত বানু বেগম ও মৃত হালিমা বেগম মারা যাওয়ার পূর্বে তাদের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাগ বন্টন হয় নাই।

এ বিষয়ে বিগত ২২/১১/২০২০ তারিখে ভাগিনা আক্তার হোসেন বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা করেন।

সহিদ মিয়ার ছেলে বাঙ্গরা বাজারের হিমেল কনফেকশনারীর স্বত্তাধিকারী ইয়াছিন আহমেদ জানান, আমরা আইনের উপর শ্রদ্ধাশীল। আইনে যা হয় আমরা তা মেনে নেব।

এ ব্যাপারে বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি রবিউল আওয়াল রবি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা চেষ্টা করেছি সমাধানের কিন্তু সমাধান না হওয়ায় মানিক মিয়া ও ইয়ার হোসেন আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলকারী নবীনগর থানার এস.আই মোঃ খলিলুর রহমান জানান, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশক্রমে আমি গত ০৪/০১/২০২১ ইং তারিখে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছি।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।