১২ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাইয়ে সতর্ক ভোটাররা

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ : ১০:৪৪ অপরাহ্ণ ৫৪৯

তেপান্তর রিপোর্ট: আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে ভাদুঘরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে এবারও নির্বাচন করছেন রফিকুল ইসলাম নেহার। তিনি করোনা মহামারির সময় গরিব ও অসহায়দের ত্রাণ বিতরনে দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত হয়েছিলেন। অনিয়মের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর প্রশাসন তা তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তার বরখাস্তের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরন করেছিল সাধারণ মানুষ। এছাড়াও আরো কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ডের বিষয়ে অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে পৌরসভা নির্বাচনে ভাদুঘরের ১২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন মোট চার জন। তারা হলেন- আনোয়ারুল ইসলাম ভূইয়া (ব্ল্যাক বোর্ড), আওয়াল মিয়া (পাঞ্জাবি), মাওলানা মোঃ হানিফ (উট পাখি) ও রফিকুল ইসলাম নেহার (টেবিল ফ্যান)। ভোটাররা বলছেন, এবারের নির্বাচনে মিষ্টি কথায় ভুলে তারা যাকে-তাকে ভোট দিবেন না। সচ্ছ ইমেজের প্রার্থীকেই তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

এবিষয়ে ১২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এডভোকেট জাকির হোসাইন রাসেল বলেন, সর্বশেষ কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম নেহারকে ভোটাররা প্রত্যাখান করেছে। কারন, তিনি দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং এলাকার কোন অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার কোন ভূমিকা নেই। তাছাড়া তার আমলে এলাকায় ১০/১২ টি ঘোষ্টিগত দাঙ্গাও হয়েছে, যার ফলে এলাকাবাসী তার প্রতি বিরক্ত। এখন এলাকাবাসী এসবের পরিবর্তন চায়। একজন জনপ্রতিনিধির কাছে মানুষ টকা চায়না। মানুষ চায় এলাকার উন্নয়ন। বিগত ৫ বছরে ভাদুঘরের ১২ নং ওয়ার্ডে এক টাকার কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। তাহলে এই প্রার্থীকে মানুষ কেন ভোট দিবে। তবে এদিক দিয়ে বø্যাকবোর্ড মার্কার প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ভূইয়া এগিয়ে আছে। ঘোষ্টির মানুষও তাকে সমর্থন করেছে। কারন, তিনি একজন ভালো মানুষ, তার বাবার টাকা আছে। তিনি অন্তত যাই হোক দূর্নীতি করবেনা। তাছাড়া রফিকুল ইসলাম নেহার বিভিন্ন ভাবে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। সে যদি আবারও নির্বাচিত হয় তাহলে এলাকার সাধারণ মানুষের সুন্দর জীবন যাপনে ব্যাঘাত ঘটবে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।