খানাখন্দে ভরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক

৭ মার্চ, ২০২১ : ৯:২৯ অপরাহ্ণ ২৯১

কাজী আশরাফুল ইসলাম: ছোট বড় অসংখ্য গর্তের কারনে চালকদের কাছে যেন এক আতঙ্কের নাম কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশ। দীর্ঘদিন সংস্কার না করাতে গর্তগুলো মৃত্যুফাদে পরিনত হচ্ছে বলে মনে করছেন এ পথে যাতায়াতকারী মানুষজন।

তাছাড়াও সম্প্রতি শুরু হয়েছে আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া পর্যন্ত চার লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প।প্রকল্পের প্রয়োজনে এই সড়কে প্রতিদিন শতশত ভারী যানবাহন চলাচল করছে।এসকল ভারী যানবাহনগুলো সড়কে খানাখন্দের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

প্রতিদিন সহস্রাধিক গাড়ি চলাচল করে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে। মহাসড়কটি প্রয়োজনানুরূপ প্রশস্ত না হওয়ায় ছোট খাটো দূর্ঘটনা হলেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।বিশেষ করে রামরাইল ব্রীজের পর থেকে উড়শীউড়া জেলগেট পর্যন্ত অংশে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দূর্ঘটনা ঘটছে।

ব্যাবসার প্রয়োজনে প্রতিদিন এই সড়কে যাতায়াত করতে হয় বিজেশ্বর গ্রামের সালমান মিয়ার।এই সড়কের ভোগান্তির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ ব্যবসার কাজে প্রতিদিনই আমাকে এই পথে কসবা, বিজয়নগর ও আখাউড়া উপজেলায় যেতে হয়।ছোট খাটো কোন দূর্ঘটনা ঘটলেই ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে আটকে থাকতে হয়।’

জেলা শহরের কাউতলী থেকে কসবা ও আখাউড়া রুটে যাতায়াতকারী সিএনজি চালকদের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে সড়কের বেহাল দশার করুন বর্ননা।

সিএনজি চালক তোফায়েল মিয়া বলেন, ‘ সারাক্ষণই ভয়ে থাকি কখন যেন গর্তে পড়ে গাড়ি উল্টে যায়।তাছাড়া ভাঙাচোরা সড়কে গাড়ি চালাই বিধায় কয়দিন পরপরই সিএনজি মেরামত করতে হয়।’

সড়কের এই বেহাল দশার কথা স্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী পঙ্কজ ভৌমিক বলেন, ‘ এই পথে কুমিল্লা যাতায়াতকালে আমরা নিজেরাও অনেক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। কিন্তু এই সড়কটি বর্তমানে আশুগঞ্জ-আখাউড়া ফোর লেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের আওতায় রয়েছে।আমি দুদিন আগেও তাদের সাথে কথা বলেছি।আশা করি এই সপ্তাহেই সড়কের খানাখন্দগুলো মেরামত করা হবে।’

সড়কে যাতায়াতকারীদের প্রত্যাশা, যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নিবে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।