প্রস্তুত থাকুন, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় আজানের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে —ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামুনুল হক

১৭ মার্চ, ২০২১ : ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ ৪২৪

তেপান্তর রিপোর্ট: বাংলাদেশের শাসক ও আদালতকে উদ্দেশ্য করে আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সাল থেকে আমরা বলছি নবীজির দুশমন ও কটাক্ষকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান মৃত্যুদন্ড চাই। আল্লামা শফী থাকতে এই কথা বলে গিয়েছিলেন, তোমরা কথা শুননি। এখন আল্লামা বাবুনগরী সামনে থেকে আওয়াজ তুলবেন। এই আওয়াজ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত হবে। আবার লক্ষ জনতা মাঠে নামবে। নবীজিকে অপমানকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান এবার আদায় করেই ছাড়বো। নবীজির উম্মতের রক্ত দিয়ে হাত রঞ্জিত করেছে যেই কসাই, মুসলিমদের পবিত্র ভূমি হাজারো আওলিয়ার দেশ ও লক্ষ শহিদ ও গাজীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই মাটিতে কসাই মুদিকে (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) দেখতে চাইনা। এদেশের জনগন দেখতে চায়না। রাস্ট্র এবং সরকার দেশের জনগনের মনের ভাষা বুঝবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এভাবেই যদি জনগনের হৃদয়ের ভাষা একে একে উপেক্ষা করতে থাকেন, এই জনগন যখন বাধ ভেঙ্গে দিবে তখন সেই জোয়ারের শ্রুত রুখে দেওয়ার সাধ্য কোন বাহিনির হবেনা। এসময় তিনি বলেন, প্রস্তুতি গ্রহন করুন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় এক নতুন আজানের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এক নতুন বেলালের কন্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই গ্রামের ঈদগা মাঠে একটি মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সময় তিনি আরো বলেন, ইসলামে শক্তি প্রদর্শন করা আল্লাহ বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন। আল্লাহ এবং রসূল চান ইমানদাররা শক্তিশালী ভাবে সমাজে চলাফেরা করুক। দূর্বল ইমানদার থেকে শক্তিশালী ইমানদার উত্তম। তাই শক্তি সঞ্চয় করতে হবে, শক্তির প্রদর্শনী করতে হবে। কাফের ও ইসলাম বিরুধীরা চায়না মুসলিমরা শক্তি নিয়ে চলুক।

তিনি বলেন, নবীজি বয়ানের ধরন হতো এমন যেন কোন সেনা প্রধান তার সৈনিকদেরকে কমান্ড করছে। নবীজি একজন সেনা প্রধানের মতো সাহাবিদেরকে কমান্ড করতেন। আপনারা কেবল আলেম ওলামাদের কাছ থেকে কান্নামাখা কন্ঠে আর সুরেলা কন্ঠে ওয়াজ শুনতে চান। আলেম সমাজ শুধু শান্ত কন্ঠে কথা বলার জন্যে নয়। লক্ষ করলে দেখবেন এই সামাজের রন্দ্রে রন্দ্রে জাহেলিয়াত বাসা বেধে আছে। তারা মনে করে হুজুরদের কাজ হলো ঝাড়ফুক, পড়া পানি দেওয়া আর মিলাদ পড়া। কিন্তু দেশে যখন ভুল ত্রুটি হয়, শাসকরা যখন কোন ত্রুটি করে, দেশ যখন ভুল পথে পরিচালিত হতে থাকে, তখন একজন আলেম সামাজের সামনে দাড়িয়ে সেনা প্রধানের মতো কমান্ড করবে, গুটা জাতিকে সর্তক করবে, জাহিলিয়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে। এটা ওলামায়ে কেরামের জিম্মাদারি। এসময় তিনি কাদিয়ানিদেরকে ভন্ড, প্রতারকের দল ও কাফের বলে আখ্যায়িত করেন।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।