অবৈধ দখল ও ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে নবীনগর তিতাস নদী, পৌরসভা নির্বিকার

৮ মে, ২০২১ : ১২:৪৮ অপরাহ্ণ ২৫৮

মো. সফর মিয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর শহরের পাশে দিয়ে বয়ে চলা বুড়ি ও তিতাস নদীতে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে এলাকার সকল প্রকার ময়লা আবর্জনা। নদীর পাড়ে সে বর্জ্যের উপর বালি ফেলে দখল করে জায়গা ও দোকান ঘর ভাড়া দিচ্ছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা। এভাবে দিনের পর দিন অবৈধ দখল ও ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে মৃতপ্রায় এক সময়ের খরস্রোতা বুড়ি ও তিতাস নদী। প্রতিনিয়ত এসব বর্জ্য ফেলায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী তিতাস ও বুড়ি নদী। এ বিষয়ে রহস্যজনক কারণে নবীনগর পৌরসভা নির্বিকার রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীনগর পৌরসভার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী গুলোর মধ্যে তিতাস ও বুড়ি নদী অন্যতম। সেই তিতাস ও বুড়ি নদীকে কেন্দ্র করেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার পৌর সদরের এই বাজারটি ।


প্রতিদিন নিয়ম করেই নবীনগর পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা তাদের সংগৃহীত ময়লা সহ, নবীনগর সদর বাজারের ফল ব্যবসায়ী,হোটেল ব্যবসায়ী,মুদি ব্যবসায়ীরা, বসত বাড়ির ময়লা বোঝাই করে দূষিত বর্জ্য ফেলছেন তিতাস ও বুড়ি নদীতে। এই নদীর পারে ময়লা ফেলার কারনে নদী ভরাট হয়ে নদীর পাড় ঘিরে গড়ে উঠছে নতুন নতুন অবৈধ দখলের স্থাপনা।
এভাবে অবৈধ দখল আর দুষণ হলে এক সময় তিতাস ও বুড়ি নদীর অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাবে না

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় একসময় নদীরপাড় সকাল বিকাল মানুষজন হাঁটাচলা করতো,আড্ডা দিতো। বিশেষ করে বর্ষাকালে সুন্দর একটা পরিবেশ ছিল।স্থানীয় প্রভাবশালীদের দাপটে এ নদীর অস্তিত্ব এখন বিলিন হওয়ার পথে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর পৌরসভার মেয়র এড. শিব শংকর দাস বলেন,তিতাস নদীর পাড় পরিচ্ছন্ন রাখতে আমাদের পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর পাড়ের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যে জায়গা গুলিতে সিসি ক্যামেরা নেই বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সেখানে ময়লা ফেলছেন প্রতিনিয়ত। দখলদাররা নদীর পাড় দখল করে সুবিধা করতে পারবেন না,অল্প কিছু দিন বাদেই নদীর পাড় দিয়ে সড়ক তৈরী হবে। তিতাস নদী সুরক্ষায় নবীনগর পৌরসভা কাজ করছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।