আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে রাস্তার বেহালদশা রোগীদের দুর্ভোগ

৬ জুলাই, ২০২১ : ৭:৫৪ অপরাহ্ণ ৩৪৯

আশরাফুল মামুন: ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতের রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের কারণে ভোগান্তির শেষ নেই রোগীদের । শুধু তাই নয় রাস্তার মাঝখানে রয়েছে খোলা ড্রেন।এরাস্তায় যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভবতী মা, দূর্ঘটনা কবলিত রুগী জরুরি ভিত্তিতে আনা নেয়া খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।যে কোন সময় উল্টে যেতে পারে যানবাহন।

সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখাগেছে, আখাউড়া সড়ক বাজার বাইতুল আমান জামে মসজিদ (দু’তলা মসজিদ)থেকে পশ্চিম দিকে ঢাকা হোটেল,পূর্বদিকে মায়াবী সিনেমা হল এবং উত্তর দিকে আখাউড়া পৌরসভা পর্যন্ত রাস্তাটি সব সময় যানজট লেগেই থাকে রোগী ও তার স্বজনদের দুর্ভোগের শুরু এখান থেকে। যদিও কঠোর লকডাউন এর সময় কিছুটা স্থবির এই রাস্তাটি। তবে অনেকেই অভিযোগ করছে রাস্তা যেটুকু প্রশস্ত রয়েছে মোটামুটি চলাচল করা যেত কিন্তু রাস্তায় সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও ফুটপাতের দোকান এর জন্য রোগী যাতায়াতে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পশ্চিম দিকে ঢাকা হোটেল পর্যন্ত পৌঁছতে যদিও তিক্ত অভিজ্ঞতা বামদিকে হাসপাতাল রোড শুরুতে একটি ভাঙা ব্রিজ রয়েছে খানিকটা পথ অতিক্রম করলে রাস্তার আসল চিত্র ফুটে উঠে ছোট বড় গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তাটিতে। হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তাটির লালবাজার অংশে লক্ষী নারায়ন হোটেলের সামনে রাস্তায় খোলা ড্রেন রয়েছে সামান্য বৃষ্টি হলেই এখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেন আর রাস্তা একাকার হয়ে যায়।

এখানেই শেষ নয় অল্প একটু সামনে এগুনোর পর চোখে পড়বে রেল গেইট ঢাকা সিলেট এর সাথে চট্টগ্রামের একমাত্র রেল যোগাযোগ এখানে ট্রেন চলাচলের সময় অসহায়ের মতো অপেক্ষা করতে হয় রোগী এবং পাশে থাকা রোগীর স্বজনদের। রেলগেইট অতিক্রম করার পর রাস্তাটি বাকি অংশটুকু বিটুমিন উঠে গেছে সবসময়ই কাদা আর পানির মিশ্রণ থাকে এখানে। আর একটু সামনে এগিয়ে যেতে জিৎ মেডিকেলের সামনে রাস্তার প্রশস্ততা এখানে খানিকটা কম তার উপর উত্তর দিকে ঐতিহ্যবাহী বড়বাজার যাওয়ার একমাত্র রাস্তা,দক্ষিণ দিকে বড়বাজার মসজিদ ও খাদ্য গুদাম,পশ্চিম দিকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উক্ত স্থানটি চার রাস্তার মোড় হওয়াতে সবসময় এখানে যানজট লেগেই থাকে।

সড়কটির বেশিরভাগ অংশের বিটুমিন ও কংক্রিট উঠে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাস্তা এতই খারাপ রোগীদের সাথে সুস্থ লোকদেরও অসুস্থ হওয়ার উপক্রম।

এ বিষয়ে কথা হয় আখাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল লতিফের সাথে তিনি জানান আপাতত মেনটেনেন্স এর কোন টাকা নাই ঢাকাই জানানো হয়েছে লকডাউন শেষে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।