বিজয়নগরের চাঞ্চল্যকর জিহাদ হত্যাকাণ্ড: অভিযোগের তীর বাদী বিবাদী উভয়ের দিকেই

২০ জুলাই, ২০২১ : ১২:৫৫ অপরাহ্ণ ১২৫৬

বিশেষ প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশীনগর গ্রামে গত ১৫ই জুন সংগঠিত চাঞ্চল্যকর জিহাদ হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে জটিল সমীকরন চলছে ওই এলাকায়। জিহাদ হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে বাদীপক্ষেরই আলমগীর মিয়া নামে একজন গ্রেফতারের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছে না। অদৃশ্য কারনে সবাই যেন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। তবে তেপান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, কিভাবে এই হত্যাকাণ্ডকে একটি পক্ষ কাশীনগর গ্রামে দশকের পর দশক ধরে চলতে থাকা দলাদলির রাজনীতির মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করার চেষ্টা করছে। এছাড়াও রয়েছে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,সিঙ্গারবিল বাজারে অবস্থিত সিএনজি স্ট্যান্ডের দখল,সিঙ্গারবিল বাজার কমিটির নির্বাচন, এলাকার মাদক সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ এবং বছর দশেক পূর্বে সংগঠিত ডাবল মার্ডারের প্রতিশোধসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি। এই অবস্থায় বিজয়নগর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তের জন্য “সিআইডি”কে হস্তান্তর করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধান করে জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৪ই জুন কাশীনগর গ্রামের বর্তমান বাসিন্দা দুই বেয়াই ইব্রাহিম মিয়া ও মালু মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। এর পরদিন সকাল দশটায় দুই বেয়াইয়ের পক্ষ নিয়ে কাশীনগর গ্রামের শতাধিক লোক দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানো জিহাদ মিয়া নামের একজন মারাত্মক জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই পড়ে যান। তৎক্ষনাৎ গুজব ছড়িয়ে পড়ে মালু মিয়ার পক্ষের লোকজন জিহাদ মিয়াকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। আইনি ঝামেলার ভয়ে উভয় পক্ষই তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যদিও জিহাদ মিয়া সংঘর্ষ থামার পর প্রায় দু’ঘন্টা জীবিত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু পুলিশি ঝামেলার ভয়ে উপস্থিত কেউই জিহাদ মিয়াকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করেনি।

তেপান্তরের হাতে আসা এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, পেটে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম নিয়ে জিহাদ মিয়া গ্রামের পাকা সড়কের উপর কাতরাচ্ছেন, কিন্তু কেউই তাকে বাচানোর চেষ্টা করছে না। অথচ আশেপাশে স্থানীয় মেম্বার সায়্যেদ মিয়াসহ প্রায় অর্ধশতাধিক প্রত্যক্ষদর্শী উপস্থিত ছিলেন। পরে খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি দল প্রায় এক ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত জিহাদকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাবস্থা করে। মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণের দরুন হাসপাতালে পৌছানোর কিছুক্ষনের মধ্যেই জিহাদ মৃত্যুবরন করে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এক পক্ষের নেতৃত্ব দানকারী মালু মিয়াকে আটক করে। পরে ইব্রাহিম মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে মালু মিয়া ও তার সহযোগী হিসেবে তার পক্ষের ১৫ জনকে আসামি করে বিজয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী ইব্রাহিম মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম মৃত জিহাদ মিয়াকে তার পালিতপুত্র বলে দাবি করেন। রেহেনা বেগমের দায়েরকৃত মামলার আসামীদের মধ্যে মামলার দ্বিতীয় আসামি সাদ্দাম মিয়া ব্যাতিত সকলেই ইতিমধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে রয়েছেন।

মামলার বাদী রেহেনা বেগমকে তেপান্তরের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে জিহাদকে তিনি পোষ্যপুত্র দাবি করে মামলা দায়ের করলেন অথচ সে প্রায় দুই ঘন্টা বাচার জন্য কাতরিয়েছে কিন্তু আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ তাকে হাসপাতালে নিলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,“মোবাইল ফোনে থানায় খবর দেয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার আগ পর্যন্ত জখমিকে কেউ ধরতে নিষেধ করেছিল পুলিশ।” তার কাছে সেই পুলিশ সদস্যের নাম জানতে চাইলে তিনি বিজয়নগর থানার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে চম্পকনগর পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ আমাদের কাছে ফোন আসার পর প্রথমেই আমরা জখমীকে হাসপাতালে পাঠাতে বলি। আমরা কাউকে জখমীকে হাসপাতালে পাঠাতে নিষেধ করিনি।’

এদিকে মালু মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া তেপান্তরের কাছে অভিযোগ করেন, ‘ আমার শশুর ইব্রাহিম মিয়া ও চাচা শশুর আলমগীর মিয়া পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে আমার ষাটোর্ধ্ব বাবাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জেল খাটাচ্ছেন।’

একটি ভিডিওতে দেখা যায়,প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রামের প্রধান সড়কের উপর পেটে গুরুতর জখম নিয়ে জিহাদ মিয়া বাচার আকুতি জানিয়ে কাতরাচ্ছে এবং এদিক ওদিক তাকাচ্ছে কিন্তু ইব্রাহিম মিয়া ও মালু মিয়ার পক্ষের কেউ কিংবা নিরপেক্ষ কোন এলাকাবাসীও রহস্যজনক কারণে তাকে বাচাতে এগিয়ে আসেনি।

নৃশংস এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তেপান্তরের একটি অনুসন্ধানী টিম কাশীনগর এলাকায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধানী কার্যক্রম পরিচালনা করে। সেই অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,প্রত্যক্ষদর্শী,পুলিশ প্রশাসন ও বিবাদমান দুপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,জিহাদ মিয়া কাশীনগর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা নন। পুলিশের সূত্র মতে তার বাড়ি সদর উপজেলার দুবলা গ্রামে। তার বাবা মা কেউই বেচে নেই। সে গত দশ বছর যাবত এক পক্ষের নেতৃত্ব দানকারী ইব্রাহিম মিয়ার ভাই আলমগীর মিয়ার বাড়িতে কাজের লোক হিসেবে থাকতো। গ্রামের অনেকেই জানান, জিহাদ মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিল এবং তার সঠিক নাম ঠিকানা সবার কাছেই অজ্ঞাত।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মৃত জিহাদ মিয়া আলমগীর মিয়ার মাদকচক্রের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সে আলমগীর মিয়ার মাদকের চালানসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনির হাতে ধরা পড়ে দুই বার জেলে ছিল এবং আলমগীর মিয়ার পরিবর্তে তার পক্ষে সাজা ভোগ করতেও একবার কারাগারে ছিল। উল্লেখ্য, আলমগীর মিয়ার নামে বিজয়নগর থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে এবং একটি মাদক মামলায় সে পাচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এলাকার সবাই জিহাদ মিয়াকে আলমগীর মিয়ার নিজস্ব লোক বলেই জানতো। কিন্তু জিহাদ মিয়ার খুনের সাথে জড়িত সন্দেহে গত ৭ই জুলাই সদর উপজেলার জারুইতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পুলিশ আলমগীর মিয়াকে গ্রেফতার করে, যদিও আলমগীর মিয়া নিজেই এই মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী।

জিহাদ হত্যার ঘটনায় আলমগীর মিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিআইডি কর্মকর্তা সানাউল্লাহ মিয়া তেপান্তরকে বলেন, “গত ০৯ই জুলাই বিজয়নগর থানা পুলিশ এই মামলাটি সিআইডি’র কাছে হস্তান্তর করে। আমাদের কাছে হস্তান্তরিত মামলার নথিপত্রে বাদীপক্ষের লোক আলমগীর মিয়াকে সন্দেহমূলক গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাটি আরও অধিকতর তদন্তের পর জানা যাবে প্রকৃত অপরাধী কারা। সংগ্রহকৃত আলামত ও স্থানীয় ভাবে প্রাপ্ত সকল তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই চলছে। মামলার যাবতীয় অগ্রগতি পরবর্তীতে জানানো হবে।”

জিহাদ হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে বাদীপক্ষের আলমগীর মিয়ার গ্রেফতারের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও দিনেদুপুরে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছে না। অদৃশ্য কারনে সবাই যেন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।

হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে এলাকাবাসীর এই রহস্যময় নীরবতার কারন এবং ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কিনা জানতে চাইলে কাশীনগর গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সায়্যেদ মিয়া বলেন, ‘সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে আমি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ছিলাম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি এক ব্যাক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কের উপর পড়ে আছে। প্রথমাবস্থায় তাকে চিনতে না পারায় এবং প্রচুর রক্ত দেখে অসুস্থ অনুভব করায় আমি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পাশ্ববর্তী কাশীনগর রেলস্টেশনের এক দোকানে এসে মাথায় পানি ঢালি এবং কিছুক্ষণের জন্য হতবিহ্বল হয়ে বসে থাকি।পরবর্তীতে পুলিশ আসার পর, জখমী ব্যাক্তিকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাপারে তাদেরকে সহায়তা করি।’

জিহাদ মিয়া দশ বছর যাবত এলাকায় বসবাস করা স্বত্বেও তাকে কেন চিনতে পারেননি এবং গুরুতর জখমী ব্যাক্তিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে কেন হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাবস্থা করেননি জানতে চাইলে সায়্যেদ মেম্বার এইসব প্রশ্নের কোন সুদোত্তর দিতে পারেননি।

অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে আসে, বিবাদমান দুই পক্ষের নেতৃত্ব দানকারী দুই বেয়াই- ইব্রাহিম মিয়া ও মালু মিয়া উভয়ই অন্যত্র থেকে এসে কাশীনগর গ্রামে বসতি স্থাপন করেছেন। প্রায় বিশ বছর আগে ইব্রাহিম মিয়া সদর উপজেলার চান্দি গ্রাম থেকে এবং মালু মিয়া মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ এলাকা থেকে কাশীনগর গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। চার বছর আগে ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে নিপা আক্তারের সাথে মালু মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়ার বিয়ে হয়। সম্প্রতি সেলিম মিয়া তার শশুর ইব্রাহিম মিয়ার মাধ্যমে সিঙ্গারবিল বাজারে ছত্রিশ লক্ষ টাকায় একটি দোকান ক্রয় করেন। কিন্তু সেলিম মিয়া অভিযোগ করেন,দোকান ক্রয়ের টাকা লেনদেন করতে গিয়ে তার শশুর ইব্রাহীম মিয়া তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছেন যা তিনি গোপন করেছেন। এক লক্ষ টাকার হেরফেরকে কেন্দ্র করেই দুই পরিবারের মধ্যে কিছুদিন যাবত মনোমালিন্য চলছিল। শেষ পর্যন্ত এই মনোমালিন্যের বলি হলেন জিহাদ মিয়া।

কিন্তু কাশীনগর গ্রামে জ্ঞাতিগুষ্টি বিহীন দুই বেয়াইয়ের পারিবারিক দ্বন্দ্ব মীমাংসার পরিবর্তে উল্টো স্থানীয় বাসিন্দারা কেন দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়ালো জানতে চাইলে কাশীনগর গ্রামের বাসিন্দা ও সিঙ্গারবিল বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানিক মিয়া তেপান্তরকে বলেন,’যদিও এই ঝামেলাটি প্রথম দিকে একটি ছোট খাটো পারিবারিক সমস্যা ছিল কিন্তু উভয় পক্ষের ছাড় না দেবার মানসিকতা এবং তাদের প্রচুর অর্থযোগান দেয়ার সামর্থ্য থাকায় গ্রামের কতিপয় সুযোগসন্ধানী সর্দার-মাতব্বরগন এই ঝগড়ার মধ্যেই দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় বিদ্যমান দলাদলির রাজনীতি ঢুকিয়ে দেন। যার দরুন ঘটনার সাথে জড়িত না থাকা স্বত্বেও আমার আপন ভাইকে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে জেলে পাঠানো হয়েছে। চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী আলমগীর মিয়ার স্ত্রী একই ঘটনায় আদালতে সাত ধারায় আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন যেটাতে আমাকে এবং আমার পক্ষের লোকজনকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ”

মালু মিয়ার পক্ষ নিয়ে তার পক্ষের লোকজন সাদ্দাম মিয়ার নেতৃত্বে কেন ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে হানিফ মিয়াকে মারধোর করেন জানতে চাইলে মানিক মিয়া এই প্রশ্নের কোন সুদোত্তর দিতে পারেননি।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা আইনশৃঙ্খলাবাহিনী খুব শীঘ্রই জিহাদ হত্যাকাণ্ডের আসল মোটিভ বের করবে এবং ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতাদেরকে আইনের আওতায় আনবে। এছাড়াও নিরপরাধ কেউ যেন এই ঘটনায় আইনগত হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারেও তারা আশাবাদী।

উল্লেখ্য, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিষয়ে কথা বলার সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকের গোপনে ধারনকৃত বক্তব্য তেপান্তরের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।