বিজয়নগরে ১ ব্যক্তির একাধিক জন্ম সনদ দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ : ১০:০৫ অপরাহ্ণ ৬৬১

তেপান্তর রিপোর্ট: বিজয়নগর উপজেলায় একাধিকবার জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ এনে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন এক ভূক্তভোগী। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সাতগাঁও গ্রামের মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে আব্দুল মোতালিব পাবেল মৃধা নামে এক ব্যক্তি গত ২৫ জানুয়ারি ২০১৫ সালে এক দিনেই পরিষদের চেয়ারম্যান এ এম শামীউল হক চৌধুরী ও সচিব নাছির উদ্দিন সাক্ষরিত জন্ম সনদ গ্রহন করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, সে জাল দলিল সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এই ভূয়া জন্ম নিবন্ধন গুলা দিয়ে।জন্ম সনদ থেকে জানা যায়, ২৫ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবের সাক্ষর ও সীলমোহরসহ ইস্যুকৃত জন্ম সনদ এক ব্যক্তির দুইটি। ইস্যুকৃত একটি জন্ম জনদে দেখা যায় ১২/১২/২০০০ সালে আব্দুল মোতালিব পাবেল মৃধা পিতা মৃত আজিজুল ইসলাম মৃধা।জন্ম সনদ নাম্বার হল ২০০০১২১০৭৩২১০৫৩১১। অপর জন্ম সনদে উল্লেখ করা হয় আব্দুল মোতালিব পাবেল মৃধার জন্ম তারিখ ১২/১২/২০০৪ সালে পিতা জীবিত রয়েছে।যার জন্ম সনদ নাম্বার হল ২০০৪১২১০৩২১০৫৩১১।

অভিযোগকারী সাতগাঁও গ্রামের মফিজুল ইসলাম জানান, আব্দুল মোতালিব পাবেল মৃধা সম্পর্কে আমার ভাতিজা। সে ভূয়া মৃত্যু সনদ নিয়ে আমার মালিকানাধীন জায়গা প্রতারণা মাধ্যমে অন্যকে গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে দলিল করে দিয়েছে।যার দলিল নাম্বার হল ১২৯৪৫।তার এই প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।

চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ এম শামীউল হক চৌধুরী জন্ম সনদের দুইটি নাম্বার ও তথ্য প্রতিবেদক থেকে নিয়ে বলেন এমনতো হবার কথা নয়।তার পরেও আমি খুঁজখবর নিয়ে দেখছি।

বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহামেদ অভিযোগ পাবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।