নবীনগরে অভিযুক্ত মামুনের বাড়িতে পুলিশ যাওয়ায় বাদীর বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি

৬ অক্টোবর, ২০২১ : ৪:৩১ অপরাহ্ণ ১৯১

মো. সফর মিয়া: নবীনগরের লাউরফতেহপুর মধ্য পশ্চিম পাড়ার মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে দারু মিয়া তার ভাতিজাদের সাথে বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে থানায় অভিযোগ করায় অভিযুক্তরা তার বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন।

সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দারু মিয়ার আপন ভাতিজা মামুন গংদের সাথে বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।চাচা দারু মিয়া রাজি থাকলেও ভাতিজা মামুন গংরা বরাবরই নারাজ থাকায় বিষয়টি কয়েক দফা সামাজিক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

পরিশেষে নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচারের জন্য চাচা দারু মিয়া বাদী হয়ে তার ভাতিজা মামুন মিয়া,এবাদুল মিয়া,শরীফ মিয়া,কারু মিয়া সহ আরো ৪/৫ অজ্ঞাত নামা লোকজন কে আসামি করে ১২ই সেপ্টেম্বর নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন, যার এস ডি আর নাম্বার ১৬০০।

বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ্য করেন,তার আপন ভাই ভাতিজারা বৈদ্যুতিক মিটার তার বসত ঘরে স্থাপন করতে চাইলে তিনি অসম্মতি জানায়,এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভাই ভাতিজা তাকে মারধর করতে আসে এতে তিনি নিরুপায় হয়ে থানা অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে মামলার বাদী দারু মিয়া বলেন,আমি বয়স্ক মানুষ তারা আমার ঘরের মধ্যে তাদের বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপন করতে চাইলে আমি অসম্মতি জানায় এতে করে তারা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দেয় ।এমনকি গতকাল সন্ধ্যায় নবীনগর থানার পুলিশ মামুন নামের অন্য এক আসামির মামলার তদন্তে আমাদের গ্রামে আসে, তারা ভুল বসত আমার ভাতিজা মামুনের বাসায় চলে গেলে এবিষয় নিয়ে পুলিশ চলে যাওয়ার পর মামুন গংরা আমার বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়া সহ মারধর করতে আসলে স্থানীয়দের সহযোগিতা শেষ রক্ষা পায় বলে কেঁদে ফেলেন।

ঘর পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি সহ মারধর করতে আসা মামুন গংদের ফেরাতে আসা একাধিক প্রত্যেক্ষদর্শী বলেন,অন্য একটি মামলার তদন্তের নামের ভুলবসত নবীনগর থানার পুলিশ মামুন গংদের বাড়িতে যাওয়া পর তারা আরো বেপরোয়া হয়ে চাচা দারু মিয়াকে মারধর করতে ছুটে যায়।পরে আমরা এসে তাকে শেষ রক্ষা করি।

স্থানীয় লোকজন ও বাদী দারু মিয়ার করা অভিযোগ সম্পর্কে মামুন গংদের প্রধান মামুনকে জিজ্ঞাসা করতে তার বাড়িতে গেলে সে উশৃংখল আচরণ করে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।

অভিযোগের বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আজিজ বলেন,মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।