আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী ডিউকে আটকে গেছি কি না?

২৫ নভেম্বর, ২০১৯ : ৬:২৩ অপরাহ্ণ ৭৯৯

জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব: পৌর এলাকার মুন্সেফপাড়ার খ্রীষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালের মালিক ডিউক চৌধুরী বারবার অপরাধ করে,হয় অর্থ,নাহয় প্রতিপত্তির বিনিময়ে অথবা কোথাও না কোথাও,কারও না কারও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় আশ্রয় পেয়ে পার পেয়ে যায়| রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে, বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি চলছে, যেখানে প্রভাবশালীদের দায়মুক্তি চলছে, সেটাই সামাজিক সহিংসতার জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে।
বিশ্বাস করি, এখনো মানুষ আছে, যাঁরা দাঁড়ান। তাঁরা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে প্রতিবাদমুখী হন। তাঁরা আছে বলেই এখনো যেখানে যেটুকু বিচার হয়, তাঁদের কারণেই হচ্ছে | মানুষ এখনো অমানুষ হয়ে যায়নি | বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে এখনো একটা মূল্যবোধ আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে বিচার ঠেকায়ে রাখা কঠিন হয়। অ্যাট লিস্ট গ্রেফতার করতে হয়| এসব ঠ্যাকাতে থানার ওসিরা আজকাল নতুন কিছু কৌশল বের করছে যাতে প্রথমেই এই সমাজের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরায় দেয়া যায়| যে দেশে খুনের পাশে পুলিশ দাঁড়ায়ে থাইকা নাক খুঁটে আর আকাশ দ্যাখে, যে দেশে বিচারের জন্য মানববন্ধনে দাঁড়াইতে হয়, যে দেশে বিচার চাইলে হুমকি দেয়া হয়, যে দেশে মানুষ খুনেৱ বিচার হয় না, সেই দেশে পাবলিক এইসব নিয়াই সন্তষ্ট থাকবে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই।পা পিছলে পড়ে যাচ্ছি আমরা নাগরিক সমাজও কিন্তু উঠে দাঁড়াতে পারছে না।
উন্নত চিকিৎসা না পাইলে লোকে কবিরাজ দেখায় ঝাড় ফুক করে, আর তাতে কাজ না হলে কালা আছরের সন্ধান করে। যে কালা আছর কোন এক ডাইনী বুড়িৱ অভিশাপে হইসে। এখন সবাই মিলে সেই ডাইনীর চোখে মরিচ পুড়িয়ে ধোয়া দিয়ে সমাজের অসঙ্গতি বিকৃত মানসিকতার ডাইনী বধ করি।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।