অপরাধী ও অযোগ্যদের নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগ

৩ নভেম্বর, ২০২১ : ৬:৪০ অপরাহ্ণ ১৬৭০

বিশেষ প্রতিবেদক: সদ্য ঘোষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয়েছে নানা অপরাধে যুক্ত ও অযোগ্যদের নিয়ে। মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, হত্যা মামলার আসামী,শিবির কর্মী, বিবাহিত, মাদকসেবী, অছাত্র, শ্রমিক এমনকি বিএনপির লোকও স্থান পেয়েছে এই কমিটিতে। ফলে, এটা নিয়ে শহরতো বটেই জেলা জুড়েও বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এছাড়া কমিটিতে ৯০ জন সহ-সভাপতির বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন, ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী এবং বৃহৎ ছাত্র সংগঠন, এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ভাতৃপ্রতিম সংগঠন হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যার রয়েছে প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক অংশগ্রহণ, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, শিক্ষা অধিকার আন্দোলন,বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলন। মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন বিলিয়ে শহীদ হয়েছে এ সংগঠন এর অনেক নেতা কর্মী।
সেই ছাত্রলীগের জেলা ইউনিট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি সম্মেলন হওয়ার প্রায় চার বছর পর গত ৩১’শে অক্টোবর ২০২১ ইং কেন্দ্রীয় দপ্তর সেল থেকে প্রকাশ করা হয়। উক্ত কমিটিতে মোট প্রায় ৩৫০ জন স্থান পেয়েছে,যেখানে সংগঠনের গঠনতন্ত্র এবং প্রচলিত নিয়ম কানুনকে তোয়াক্কা না করে এটিকে অছাত্র,বিবাহিত,ছিনতাইকারী, মাদকসেবি ও মাদক ব্যবসায়ী, এবং বিভিন্ন মামলার আসামি ও অনুপ্রবেশকারীদের কমিটিতে পরিণত করা হয়েছে।

প্রকাশিত এই কমিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সাবেক এবং বর্তমান নেতা-কর্মীরা এবং সংগঠন এর শুভাকাঙ্ক্ষীরা তীব্র ক্ষোভ এবং অভিযোগ প্রকাশ করছে। তারা বলছে – পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদানে সংগঠন এর গঠনতন্ত্রকে কলা পাতা বানিয়ে ফেলা হয়েছে,অছাত্র,বয়স্ক,বিবাহিত ও মাদক কারবারির মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে এ কমিটি।কিন্তু সম্মেলনের সময় গঠনতন্ত্রের দোহায় দিয়ে কেবল কয়েক মাস বয়স বেশি হওয়ায় অনেক যোগ্য প্রার্থীকে পদায়ন করা হয়নি,এ কমিটি ছাত্রলীগের জন্য কলংক বয়ে এনেছে, এর জন্য অবশ্যই জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রের সভাপতি – সাধারণ সম্পাদক কে দায় নিতে হবে।
তেপান্তর অনুসন্ধান করে কমিটির প্রায় একশতাধিক সদস্য এর ব্যাপারে বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছে, তন্মধ্যে অর্ধশতাধিক এর বিস্তারিত নিম্নে উল্লেখ করা হল:-

১.সিফাত ইসলাম
সহ সভাপতি
অছাত্র এবং বিবাহিত,২ বছর আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিবাহ করে,যেকিনা সাধারণ সম্পাদক শোভনের ভাতিজা বলে নিজেকে পরিচয় দিয়ে থাকে।

২.ইমরান খান
সহ সভাপতি
বিবাহিত,গত নভেম্বরের ১১ তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে।

৩.আজিম মোল্লা
সহ সভাপতি
ছাত্রদল নেতা,অছাত্র,বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক ।জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি’র ভাতিজা।

৪.অনিন্দ্য দাস অনু
সহ সভাপতি,অছাত্র,মাদকাসক্ত,ছিন্তাইকারী,একাধিক মামলার আসামি, সদর থানার মামলা নং-৪৮/২৩১,তারিখ-১৯/০৪/২০১৮,
মামলা নং ৩৪/২৮২,তারিখ-১৩/০৫/২০২০।

৫.আসিফুল ইসলাম
সহ সভাপতি
অছাত্র,মাদক মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি আখাউড়া থানার মামলা নং-১৪ তাং-১২/০৫/২০২১,
সদর থানার মামলা নং-৮/১০০ তাং-০৫/০৩/২০২১,
২২/১১৪ তাং-১৩/০৩/২০২১।

৬.সাইদুল ইসলাম
সহ সভাপতি
অছাত্র,বিষ্ফোরক আইনে পুলিশবাদি মামলা রয়েছে,
সদর মডেল থানার মাামলা নং-৭৭,জি আর নং-৩৯০/১৫ তাং-২২/০৪/২০১৫।

৭.আহম্মেদ ইমতিয়াজ কাউসার
সহ সভাপতি
একাধিক নারী কেলেঙ্কারি এবং উক্তত্বের ঘটনায় একাধিকবার জাতীয় পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে-যুগান্তর,০২ নভেম্বর ২০১৯ উল্লেখযোগ্য।

৮.মোকাব্বের ভূইয়া
সহ সভাপতি
ঢাকা কলেজের ছাত্রদলের কর্মী ছিল,পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্নীয়রা বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়।

৯.কাজী আশিক
সহ সভাপতি
অভিযোগ আছে তিনি সীমান্তবর্তী উপজেলা বিজয়নগরের একজন পরিচিত মাদকসেবী।

১০. এবিএম রাশেদুল ইসলাম ডলার
সহ সভাপতি
বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক।

১১. ফারদিন তাহের রাহুল
উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক।
নাসিরনগরে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুর মামলা হয়েছিলো তার বিরুদ্ধে।

১২.হাসান আল ফারাবি জয়
সহ সভাপতি
মাদক ব্যবসায়ী এবং একাধিক মামলার আসামি
সদর মডেল থানার মামলা নংং-৩৪/২৮২,তাং-১৩/০৫/২০২০।

১৩. মোঃ শাফি আলম
সহ সভাপতি
অছাত্র,বিবাহিত এবং সাবেক ছাত্রদল কর্মী,জেলা বিএনপির মিছিলে অংশগ্রহণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

১৪.এনামুল হক পারভেজ
সহ সভাপতি ,অছাত্র,মাদকাসক্তির অভিযোগ,কিশোর গ্যাং লিডার,সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা চেষ্টার মামলা সদর মডেল থানার মামলা নং-৪৪/৪০১ তাং-১০/০৬/২০১৮

১৫.উবায়দুর রহমান বাবু
সহ সভাপতি
অছাত্র,মাদক ব্যবসায়ী,সদর থানা এবং আখাউড়া থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে
আখাউড়া থানার মাদক মামলা নং-১৫,তাং-১১/০৪/২০২০।

১৬.মোঃ জাহিদ হাসান
সহ সভাপতি
ছাত্রদল নেতা মোঃ জাহিদ হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইদ এর আপন ছোটভাই,যেকিনা হেফাজত তান্ডবের মামলায় জেল হাজতে।মোঃ জাহিদ ২০১৫ সালে বিএনপি জামায়েতের জ্বালাও পোড়াও মামলা সহ একাধিক মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি,
সদর মডেল থানার মামলা নং-৫৬,তাং-১৬/০১/২০১৫,
৭৪/৩৩৫ তাং-২৭/০৫/২০১৮।

১৭.আব্দুল্লাহ আল মামুন
সহ সভাপতি
সাবেক শিবির কর্মী এবং পরিবার জামায়াত পন্থী ,
অছাত্র এবং ব্যবসায়ী।

১৮.তানিম চৌধুরী
সহ সভাপতি
অছাত্র এবং বিবাহিত।

১৯.নাসিম সরকার,
সহ সভাপতি
চাকরিরত,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,আশুগঞ্জ।

২০.জেসমিন সুলতানা প্রিয়া
সহ সভাপতি
অছাত্র,বিবাহিত।

২১.মোবারক হোসেন জিসান
সহ সভাপতি,
বিবাহিত,এক সন্তানের জনক এবং ছাত্রদল কর্মী।

২২.মিকাইল হোসেন হিমেল
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
অস্ত্র মাামলা সহ একাধিক মামলার আসামি
সদর মডেেল থানার মামলা নং-৩৩/২৮১,তাং-১৩/০৫/২০২০,
৩৪/২৮২ তাং-১৩/০৫/২০২০,
৮/১০০,তাং-০৫/০৩/২০২১,
২২/১১৪ তাং-১৩/০৩/২০২১।

২৩.রবিউল আলম রবিন
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
অস্ত্র মামলার আসামি,
সদর থাানার মামলা নং-৪১/৩৯৮,তারিখ-১০/০৬/২০১৮।

২৪.জসিম আহমেদ রবিন
যুুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
অছাত্র,মাাদকাসক্ত,একাধিক মামলার আসামি,
সদর মডেল থানার মামলা নং-৮/১০০,তাং-০৫/০৩/২০২১,
২২/১১৪,তাং-১৩/০৩/২০২১।

২৫.ইকরাম মিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
অছাত্র,পেশায় এম্বুলেন্স ড্রাইভার,পুলিশ বাদী মামলা রয়েছে,
সদর মডেল থানাার মামলা নং-৩৪/২৮২ তাং-১৩/০৫/২০২০

২৬.ইমন চৌধুরী

সহ সভাপতি

অছাত্র এবং বয়স্ক

২৭.ইমন চৌধুরী

সহ সভাপতি

অছাত্র এবং বয়স্ক।

২৮.আজহারুল হাসান মিঠু
সাংগঠনিক সম্পাদক
অর্থের বিনিময়ে আসার অভিযোগ(অন্তত ২ লক্ষ টাকা লেনদেনের অভিযোগ)।

২৯.নাজমুল হাসান
সাংগঠনিক সম্পাদক
অছাত্র,হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী,সাবেক ছাত্রদল নেতা,মাদক ব্যবসায়ী পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত,
সদর থানার মামলা নং-৪৯,তারিখ-২৫/১২/২০১৮।

৩০.আশিকুল ইসলাম হৃদয়
সাংগঠনিক সম্পাদক
অছাত্র,মাদক ব্যবসার অভিযোগ।
তার বাবা মা’য়ের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত’র মামলা ছিলো।(শামীম এবং মুন্না নামের দুজন তার মাদক বিক্রি করে মধ্যপাড়া এলাকায়)

৩১.তন্ময় হোসেন সাব্বির
সাংগঠনিক সম্পাদক
অছাত্র,অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে,অভিযোগ আছে মাদকাসক্ত এবং অনুপ্রবেশকারী।

৩২.আতা এলাহি শাওন
গণ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
অছাত্র,প্রবাসী।

৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আশরাফুল ইসলাম অন্তু, গত বছরের ১১ এপ্রিল আখাউড়া থানা পুলিশের হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন।

৩৪.সোহাগ আহমেদ
উপ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক
অছাত্র,বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক ফার্মেসীতে চাকরি করে।

৩৫.কাজী সালমান
উপ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক
অছাত্র,নারায়ণগঞ্জ এ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরিরত।

৩৬.আবির মোহাম্মদ(এস এম) সোহাগ
উপ ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক,
সাবেক সাধারণ সম্পাদক,
৭ নং কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদল।

৩৭.আশরাফুল ইসলাম মুন্না
সহ-সম্পাদক
অছাত্র,বিবাহিত এবং মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী একসময় শহরের রয়েল হসপিটালে দালালী করত,ঝামেলা করে মামলা খেয়ে হসপিটাল ত্যাগ করেছে,এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় এর মাদক বিক্রি করে থাকে।

৩৮.শাহ মোঃ সাকিব
সহ সম্পাদক,
সাবেক বিএনপি কর্মী, বিএনপির সাবেক এমপি প্রার্থী শ্যামল সাহেব এর সাথে রয়েছে বিভিন্ন প্রোগ্রাম এ উপস্থিত থাকার ছবি।

৩৯.সামি আহমেদ নাবিল
সদস্য
অছাত্র,অস্ত্র মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি,
সদর মডেল থাানার মামলা নং-৩৩/২৮১ তাং-১৩/০৫/২০২০,
৩৪/২৮২ তাং-১৩/০৫/২০২০,
৮/১০০ তাং-০৫/০৩/২০২১,
২২/১১৪ তাং-১৩/০৩/২০২১।

৪০.রাহাত হাসান
সদস্য,
ইতালি প্রবাসী।

৪১. তাহসিন রহমান সামী
দপ্তর সম্পাদক,
অভিযোগ আছে প্রায় চার লাখ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে উক্ত কমিটিতে স্থান লাভ করেছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি।

এছাড়াও উক্ত কমিটির সহ সভাপতি সুজন দত্ত,শামীম হোসেন,শাহিদুল আলম জীবন এবং মোঃ আরাফাত অছাত্র এবং বয়স্ক বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন মোল্লা বিবাহিত বলে অভিযোগ রয়েছে।যদিও তারা সকলে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উপরের সকল ছাত্রলীগ নেতার তথ্য, অভিযোগ ও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে লিখা হয়েছে। উপযুক্ত নতুন অভিযোগ ও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নতুন নাম সংশোধন ও বিয়োজন করা হবে।

এবিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জিদনী ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যেই ছাত্রলীগ তা এই কমিটির ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। এমন ভাবে কমিটি হলে ছাত্রলীগ তার গৌরব হারাবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল তেপান্তরকে বলেছেন, যাদের ব্যপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে তা প্রমানিত হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিটি দেওয়ার আগে কেন তাদের বিষয়ে খোজ খবর নেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ যদি তার বিয়ের বিষয় লুকিয়ে রাখে তাহলে বিষয়টা বুঝার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। তবে মামলার আসামীদের ক্ষেত্রে মারামারির মামলা কোন বিষয় নয়, অন্যান্য মামলা থাকলে সেটা দেখা হবে। তবে অনেকে মারামারির কারণেও ছিনতাই মামলা করেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার সম্পাদক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত) এম আর মুকুল ইসলাম তেপান্তরকে জানান, কমিটি ঘোষণার পর অভিযুক্তদের বিষয়ে আমি জানতে পেরেছি। বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণে রাখছি। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দেশের বাইরে থাকায় এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছেনা। তারা দেশে ফিরে আসা মাত্রই এ ব্যপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত) আলিমুল হক তেপান্তরকে জানিয়েছেন, কেন্দ্র এই বিষয়টি অবগত আছে। আপনারা জানেন যে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেশের বাইরে আছেন। তারা এলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আগে কেন অভিযুক্তদের ব্যপারে খোজ খবর নেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে বিভিন্ন জনের সুপারিশে তাদের পদ দেওয়া হয়েছিলো। তাছাড়া এই বিষয়টি দেখার দায়িত্ব আসলে জেলার সভাপতি-সম্পাদকের। যেহেতু অনেক দিন পর কমিটি হয়েছে তাই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কারন পদ প্রত্যাশী বেশি ছিলো।

 

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।