বিজয়নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার অভিযোগ

১৩ নভেম্বর, ২০২১ : ৪:০৬ অপরাহ্ণ ৫০৯

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক স্বামী পরিত্যক্ত নারী। ওই মহিলার নাম রুজিনা আক্তার, তিনি বিজয়নগরে শশই গ্রামের মৃত জনু মিয়ার মেয়ে। আর আসামীরা হলেন, আব্দুল্লাহ পুর গ্রামের ফুলছর মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া (৩২), আব্দুস সালামের ছেলে অলি মিয়া (৪০) ও আলা দাউদপুর গ্রামের বর্তমান মেম্বার ও মৃত মন্নর আলীর ছেলে আমীন মিয়া (৪৮)। গত ১১ নভেম্বর আদালতে মামলাটি দাখিল করা হয়, তবে শনিবার এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বিচারক মামলার বিষয়ে কোন আদেশ দেননি। আসামীরা বলছেন পূর্ব শত্রুতার জেরে ফাসানোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেছেন রুজিনা। এর আগে ৯ নভেম্বর এক নম্বর আসামী শিপন মিয়ার স্ত্রী রত্না আক্তার বাদি হয়ে বিজয়নগর থানায় বাদি হয়ে রুজিনার বিরুদ্ধে জিডি করেছেন।

জিডিতে উল্ল্যেখ করা হয়, শিপনের সাথে রুজিনার কিছু ছবি এডিট করে মানুষকে দেখিয়ে শিপনের সাথে রুজিনার প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে জানান রুজিনা। রুজিনার মোট ৪টি বিয়ে হলেও সকল স্বামীর সাথেই তার ডিভোর্স হয়ে যায়। বর্তমানে রুজিনা তার বাবার বাড়িতে একা বসবাস করছে। রুজিনার স্বভাব চরিত্র আগে থেকেই খারাপ। তাই যেকোন সময় হামলা-মামলার আশঙ্কা করে আগেই জিডি করা হয়েছে।

শিপনের স্ত্রী রত্না বলেন, মিথ্যা মামলা বা হামলার ভয়ে আমরা আগেই জিডি করেছি কিন্তু তারপরও আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের মামলা করেছে রুজিনা।

মামলার এজাহারে রুজিনা বলেন, গত ৬ নভেম্বর রুজিনা তার দুই সন্তানকে নিয়ে রাত সাড়ে ১০টায় ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১২টায় শিপন মিয়া তার ঘরে ঢুকে রুজিনার হাত মুখ বেধে পোষাক খুলে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করে। পরে এক পর্যায়ে ঘুম থেকে জেগে চিৎকার করতে চাইলেও মুখ বেধে রাখার কারনে চিৎকার করতে পারেনি তিনি। এসময় সাথে থাকা আরেক আসামী রুজিনাকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে চুপ থাকতে বলে। একসময় আসামীরা ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিপন মিয়া বলেন, আমি তাকে ধর্ষণ করার প্রশ্নই আসেনা। আমার ঘরে বৌ আছে। এটা যে মিথ্যা মামলা তার বড় প্রমান হলো ডাক্তারি কোন পরিক্ষা-নিরিক্ষার কাগজ সে আদালতে দেখাতে পারেনি। হাওয়ার উপর একটি এজাহার দায়ের করেছে রুজিনা। সে সবসময় চাইতো আমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক করতে, কিন্তু আমি তাতে রাজি হইনি। কারন, আমার ঘরে বৌ আছে।

 

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।