মনির হোসেন রাসেল, লেবানন: ১৬ দিন কুমায় থেকে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন লেবাননপ্রবাসী নারী কর্মী রুমা রানী দাস (৩৪)। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) লেবাননের “জুনি এলাকায় “সেন্ট লুইস হাসপাতালে” চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গত ১০ ডিসেম্বর সকালে জুনির টেলিফ্রিক মার্কেট এলাকায় সড়কে দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন ‘রুমা রানী দাস’। রুমা গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার ইসলামপুর গ্রামের স্বপন কুমার দাসের মেয়ে।
প্রতিদিনের মতো টেলিফ্রিক মার্কেট সংলগ্ন সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে কাজে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পিছন থেকে ধাক্কা দেয় রুমা রানীকে।
এমন সসময় গুরুতর আহত অবস্থায় রুমাকে ঐ প্রাইভেটকারের চালক তাঁকে “সেন্ট লুইস হাসপাতালে” নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান রুমা রানীর বুকে ও পায়ে প্রচন্ড আঘাতসহ বাম হাতটি ভেঙ্গে গেছে।
এরপর থেকে গত ১৬ দিন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) জ্ঞানহীন(কুমায়) অবস্থায় চিকিৎসা চলে তার।
চিকিৎসকরা তাকে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে অানার সব ধরণের চেষ্টা করেন। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান রুমা রানী । তাঁর মরদেহ বর্তমানে ঐ হাপাতালের মর্গে রয়েছে।
রুমা রানীর বিষয়ে তার সহকর্মীর কাছ থেকে অারো জানা যায়, গৃহকর্মীর ভিসা নিয়ে প্রায় ১০ পূর্বে রুমা রানী দাস লেবাননে আসেন। তিনি প্রথমে বৈধ থাকলেও ২০১৫ সালে অবৈধ হয়ে যান।
দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য বৈরুতে “বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগীতা কামনা করছে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics