চাচা ও ভাতিজার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন নিহত জাহাঙ্গীরের বড় ভাই ওমানে কর্মরত ইকবাল হোসেন।
তিনি জানান, তারা দু’জনই ওমানে মাছ ধরার পেশায় নিয়জিত ছিল। শনিবার রাতে মাছ ধরার কাজ শেষ করে রুমে যাওয়ার সময় মাছিরাহ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দু’জনই ঘটনাস্থলে মারা যায়।
মাইক্রোবাসটিতে যাত্রী ছিল আটজন।
মৃত্যুর খবরটি সীতারামপুর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। সীতারামপুর গ্রামের আবু তালেবে ৪ ছেলে ও ৪ মেয়ের সংসারের অভাব অনটন দূর করতে ৫ বছর আগে ওমানে পাড়ি দেন জাহাঙ্গীর আলম। তিন মাস আগে ছুটিতে এসেছিল জাহাঙ্গীর। ছুটি শেষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওমানে চলে যান।
শাহাআলমের পিতা খলিল মিয়া ৩ ছেলে ও ১ মেয়ের সংসারের অভাব দূর করতে ২০১৯ সালে তিনি ঋণ এনে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ছেলেকে ওমানে পাঠান। সেখানে গিয়ে শাহাআলম দালালের খপ্পরে পড়ে এক বছরে কোন টাকাই দিতে পারেনি দিনমজুর পিতা খলিল মিয়াকে। খলিল মিয়া পেশায় একজন জেলে ছিলেন। চাচা ও ভাতিজা ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশে এসে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics