তেপান্তর রিপোর্ট: ঢাকা বিমান বন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মীর কাছ থেকে বুধবার রাতে আট কেজি সোনার বার উদ্ধারের পর তাকে আটক করা হয়েছে৷ ঢাকা কাস্টম হাউস এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে৷
আটক মোহাম্মদ আবদুল আজিজ আকন্দ বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টারের (বিএফসিসি) প্যান্ট্রিম্যান৷ ঢাকা কাস্টম হাউসের উপকমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বলেন, বিমান হারানো ও প্রাপ্তি শাখার জিয়া উদ্দীনের তথ্য মতে, দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটে সোনার বারের চালান আসবে এবং বিএফসিসির প্যান্ট্রিম্যান আবদুল আজিজের মাধ্যমে সোনার বারের এই চালান বিমানবন্দর থেকে বের হবে৷ এ তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা চালানটি ধরতে সক্ষম হই ৷’
বিমানবন্দরের উত্তর দিকে বিএফসিসি ভবন, সেখানেই বিমানের খাবার রান্না ও সরবরাহ করা হয় ৷ বিএফসিসি থেকে ঢোকা যায় বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোন এলাকায়৷
ঢাকা কাস্টম হাউসের উপকমিশনার আরো জানান, ‘গতকাল আমরা বেলা ১টার দিকে বিএফসিসিতে যাই৷ সেখানে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ি৷ আমাদের কোনোভাবেই সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছিলেন না বিএফসিসির কর্মকর্তারা৷ পরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তা নেওয়া হয়৷ একই সঙ্গে বিএফসিসির দুই পাশের গেটে নজরদারি বাড়ানো হয়৷’
তিনি আরও জানান, বিকেল তিনটার দিকে তারা বিএফসিসির কর্মকর্তাদের সন্দেহভাজন এক কর্মীর খোঁজ করলে তাদের জানানো হয়, শিফটের কাজ শেষে ওই বিমানকর্মী চলে গেছেন৷
সানোয়ারুল কবীর বলেন, রাত আটটার দিকে বিমান ইন্জিনিয়ারিং শাখার মোঃ সাদ্দাম হোসেনের সহায়তায় বিএফসিসির পেন্ট্রিম্যান আবদুল আজিজকে অ্যাপ্রোন এলাকা থেকে বিএফসিসিতে প্রবেশ করার সময় আটক করা হয়৷
ঢাকা কাস্টম হাউস সূত্র জানায়, আবদুল আজিজের শরীরে কালো টেপে মোড়ানো অবস্থায় সোনার বার পাওয়া যায়৷ তার কাছে পাওয়া সোনার বারের ওজন প্রায় আট কেজি৷
আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানায় ঢাকা কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ৷ এর আগেও বিভিন্ন সময় বিএফসিসির কর্মী বা তাদের গাড়ি থেকে সোনা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে বলে বিমানবন্দর সূত্র থেকে জানা যায়৷
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics