তেপান্তর রিপোর্ট: আশুগঞ্জের গোলচত্বর এলাকা থেকে ৬৬ বোতল ফেন্সিডিল, একটি ওয়াকিটকি ও একটি জীপ গাড়ীসহ ৪ জনকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জের গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো, ভৈরব পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন মিন্টুর দুই ছেলে নাঈম হোসেন (২০) ও আবিদ হোসেন (১৯)। বাকিরা হলো, মহিশীনুর রহমান হৃদয় (২৩),সে ভৈরবের তাতারকান্দি এলাকার প্রয়াত সাংবাদিক আবুল কালামের ছেলে। আরেকজন হলো মো. রুবেল মিয়া (২১),সে ভৈরবের কমলপুর মধ্যপাড়া এলাকার হোসেন মিয়ার ছেলে।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
র্যাব ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে জীপ গাড়িতে করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে।
এই তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মাদক ব্যবসায়ী চক্রের উপর র্যাবের নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আরো জানা যায় যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় মাদকদ্রব্যের একটি বড় চালান নিয়ে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর ২০০ গজ পূর্বে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের উপর তাৎক্ষণিক তল্লাসি চৌকি স্থাপন করে গাড়ি তল্লাসি করতে থাকে।
পূর্বে সংবাদ প্রাপ্ত গাড়িটি তল্লাসি চৌকির কাছে পৌঁছার পর সংকেতের মাধ্যমে থামিয়ে জীপ গাড়িসহ নাঈম হোসেন, আবিদ হোসেন, মহিশীনুর রহমান হৃদয় ও মো. রুবেল মিয়া কে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজতে থাকা ১ টি স্কুল ব্যাগ তল্লাসি করে ৬৬ বোতল ফেন্সিডিল, একটি ওয়াকিটকি, স্টিলের লাঠি ও মাদক বিক্রর নগদ ৭০ হাজার টাকাসহ ব্যবহৃত জীপটি জব্দ করা হয়।
জীপগাড়িসহ উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।
তাদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও র্যাব জানিয়েছে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics