তেপান্তর রিপোর্ট: আশুগঞ্জের লালপুর ইউনিয়নের ছোট একটি গ্রাম নোয়াগাও। বর্তমানে গ্রামটিতে ৯ মাদক ব্যবসায়ীর রামরাজত্ব চলছে। নোয়াগাও গ্রাম তো বটেই এর আশপাশের গ্রামের মাদকসেবীরা নির্বীঘ্নে সেখান থেকে মাদক সংগ্রহ করে সেবন করতে পারছে। প্রায় প্রতিদিন ওইসব এলাকায় পুলিশি তৎপরতা থাকলেও এসব মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করছেনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুধু নোয়াগাও নয়, মাদক ব্যবসায়ীদের রামরাজত্ব চলছে লালপুর গ্রামেও। জেলার পূর্বাংশ তথা সীমান্ত এলাকা থেকে পাইকারি দামে মাদক কিনে জেলার পশ্চিমাঞ্চল তথা লালপুর, তালশহর, আড়াইসিধা ও চরচারতলা সহ একাধিক এলাকায় তা বেশি দামে বিক্রি করা হয়। তবে গত কয়েক বছরে লালপুর মাদক ব্যবসার দিক দিয়ে বেশ এগিয়েছে।
নোয়াগাও গ্রাম বিভিন্ন কারনে কুখ্যাত হলেও বর্তমানে মাদকের কারনে তা আরও কুখ্যাত হচ্ছে। এই গ্রামে গণবসতি, সামান্য বিষয়ে বিবাধে জড়ানো, কোন্দল ও হানাহানিতে কুখ্যাত দীর্ঘদিন ধরেই। ফলে নোয়াগাও গ্রামের মানুষদের এর আশপাশের এলাকার মানুষজন অন্য দৃষ্টিতেও দেখে।
বর্তমানে নোয়াগাও গ্রামে যেই ৯ মাদক ব্যবাসয়ীর রামরাজত্ব চলছে তারা হলো:
১. লিটন, পিতা: কাশেম।
২. সুমন, পিতা: ইসমাইল।
৩. মিজান, পিতা: নান্নু মিয়া।
৪. শাহজালাল, পিতা: সুরুজ মিয়া।
৫. সুমন, পিতা: মন্নাফ মিয়া।
৬. হানিফ, পিতা: দিলর আলী।
৭. কাশেম, পিতা: কালা মিয়া।
৮. আবেদ আলী, পিতা: লিয়াকত আলী।
৯. আমির হোসেন, পিতা: ফুডু মিয়া।
এসব মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা করায়, ফলে তাদের নিজের নামে কোন মাদক মামলা নেই। অথচ তারা সহজেই ইয়াবা, ফেন্সিডিল, স্কফ, মদ ও গাজা সহ সব মাদকই বিক্রি করে।
তারা যে মাদক ব্যবসায়ী এই বিষয়টি নিশ্চিত করে লালপুুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান লিটন মেম্বার প্রতিবেদককে বলেছেন, এদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক ভাবে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics