আশরাফুল মামুন;স্বাধীনতার পূর্বকাল থেকেই এই পূর্ব বাংলার প্রবেশদ্বার খ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, বানিজ্যিক ও রাজনৈতিক কারণে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যুগে যুগে যেভাবে আখাউড়ার পটভূমির উন্নয়ন হয়েছে ঠিক সেভাবে রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়নি। মানুষ বেড়েছে, যানবাহন বাড়লেও বাড়েনি সেই চাপ সামাল দেওয়ার অবকাঠামো। রেলপথ ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু সড়ক মহাসড়ক পড়ে আছে মান্ধাতার আমলের হালে।
আখাউড়া পৌরশহরটির যানজট এখন বিষফোঁড়ার মত বাসিন্দাদের ঘাড়ে চেপে আছে। ছাত্র ছাত্রী, নারী পুরুষ, বয়ষ্ক সাধারণের পথচলা যেন চরম দূর্ভোগে পতিত হয়েছে। কিছু কিছু ব্যাবস্থা নিলেও তা কোন কাজে আসেনি। তবে এর সমাধান কারোই জানা নেই। কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে যানজট নিরসনের উপায় বের করতে। তবে যানজট নিরসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষ রীতিমতো কিংকর্তব্য বিমূঢ়!
আখাউড়ার ইউএনও অংগ্যজাই মারমা বলেন, আমি এখানে এসে দায়িত্ব নেওয়ার পর চিন্তা করছি কিভাবে এর সমাধান করা যায়, পূর্নবাসনের ব্যাবস্থা না করে হঠাৎ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারছি না, মানবিক বলে সর্বশেষ একটি বিষয়ের কথা চিন্তা করতে হয়, তারপরও আমার চেষ্টা অব্যাহত আছে, এবিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ সহ সকল কেই এগিয়ে আসতে হবে। হরিজন কলোনিতে যে স্ট্যান্ড করা হয়েছে শুনেছি সেটা রেলের জায়গা, সেখানে এখন রেলের নির্মান সামগ্রী রাখা হচ্ছে।
পৌরমেয়র তাকজিল খলিফা কাজল যানজটের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে বলেন, শহরের ভিতরে কোন অটো সিএনজির স্ট্যান্ড রাখা হয়নি, বাহিরে হরিজন কলোনির পাশে পৌরসভার পক্ষ থেকে সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অটোরিকশা বেশি হয়ে যাওয়ায় অপরিকল্পিত ভাবে যেখানে সেখানে যাত্রী উঠানামা করার কারণে বেশি যানজট হচ্ছে।
তবে পৌরসভার নামে চাঁদা কালেকশন এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পৌরসভার নামে কোন টাকা কালেকশন করা হয় না, তাছাড়া অটোরিকশা ও সিএনজি স্ট্যান্ড এর জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়, অটো সিএনজি কল্যান সমিতি তারা এটা কালেকশন করে থাকে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics