Tepantor

সরাইলে বিক্ষোভকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ

19 July, 2024 : 3:43 am

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কোটা সংস্কারের দাবীতে আন্দোলনকারী ছাত্র ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে সরাইল সদর। বুধবার বিকাল ৩ টা শহিদ মিনার চত্বর, অন্নদা স্কুল মোড়, হাসপাতাল মোড় থেকে সরাইল সদর সড়কে ও বিকাল বাজার এলাকায় চলেছে এ সংঘর্ষ। এ পর্যন্ত সহকারী পুলিশ সুপার, ওসিসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।

সংঘর্ষের কারণে সরাইল সদর ও সরাইল-অরুয়াইল সড়কে আড়াই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল সরাইল সদরের সকল মার্কেট।

বিক্ষোভকারী ছাত্ররা মিছিল নিয়ে বের হলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শরীফ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ বাপ্পির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা স্লোগান দিয়ে অন্নদা স্কুলের মোড়ের দিগে এগুতে থাকে। পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে আন্দোলনকারী ছাত্র ছাত্রীদের অন্নদা স্কুল মোড়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেন। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তারা সেখানে দাঁড়িয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে ভুয়া ভুয়া, তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

আর ছাত্রলীগের মিছিলটিকে পুলিশ নিজসরাইল ব্রিজের কাছে আটকে রাখেন। বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সরাসরি মাঠে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া, ডিএসবি’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জয়নাল আবেদীন, সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. রাকিবুল হাসান।

সাড়ে ৪ টার দিকে হঠাৎ করে পুলিশের ব্যরিকেট ভেঙ্গে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। চলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। সংঘর্ষে বাজারের কয়েকটি পয়েন্টে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সরাইল- অরুয়াইল সড়কে প্রায় তিন ঘন্টা যানবাহম ও পথচারি চলাচল বন্ধ থাকে। রাবার বুলেটের শব্দে আর টিআর সেলের ধূঁয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সদরের সর্বত্র। সংঘর্ষ প্রতিরোধ করতে গিয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুল হাসান ও সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম আহত হয়েছেন। এছাড়াও এক সিএনজি চালকসহ আরো ১৮-২০ জন আহত হয়েছে। বিকাল ৬টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Array