Tepantor

৪ বিয়ে করা কানাই শিশু জয়নাবকে ধর্ষণের পর হত্যা করে

20 December, 2019 : 8:22 pm

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শিশু জয়নাব বেগম(১০) কে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে এই ঘটনায় আটক আসামী কানাই(৪২) ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তারের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কানাইকে আটক করে সরাইল থানা পুলিশ। সে উপজেলার পশ্চিম কুট্রাপাড়ার নিবু মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূরুল হক জানান, কানাই পশ্চিম কুট্রাপাড়া এলাকায় মুদিমালের ব্যবসা করে। ব্যক্তিগত জীবনে কানাই চারটি বিয়ে করলেও সব স্ত্রী তাকে ফেলে চলে গেছে। একই এলাকার কৃষক হাফিজ মিয়া হাফিজ মিয়ার শিশু কন্যা ও স্থানীয় ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী জয়নাব বাড়ির দৈনন্দিন মালামাল নিতে প্রায় সময় কানাইয়ের দোকানে আসতো। গত সােমবার রাত ৮টার দিকে জয়নাব নলকূপ মেরামতের একটি যন্ত্র (রেঞ্জ) দিতে যায় কানাইয়ের বোনের বাড়িতে। রেঞ্জ দিয়ে ফেরার পথে কানাই শিশু জয়নাবকে একা পেয়ে চকলেট দিয়ে ফুসলিয়ে বসতঘরে নিয়ে যায়। ঘরে নিয়ে বিছানায় জয়নাবকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে শিশু জয়নাব ঢলে পড়লে কানাই শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর জয়নাবের মরদেহ বিছানায় কাপড় দিয়ে ডেকে রেখে কানাই ঘর থেকে বের হয়ে দেখতে আসে আশেপাশে কেউ আছে কিনা। পরে রাতে জয়নাবের মরদেহ এলাকায় বাঁশঝাঁড়ের ভেতরে ফেলে দিয়ে আসে।

পরিদর্শক (তদন্ত) নূরুল হক আরো জানান, পর দিন মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয়রা জয়নাবের মরদেহ বাঁশঝাঁড়ের ভেতরে দেখতে পেয়ে পুলিশ কে খবর দেয়। মরদেহ উদ্ধারের পরই ধারণা করা হয়েছিল জয়নাবকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনায় জয়নাবের মা ফেরফৌদি বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ঘাতক কানাইকে শুক্রবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তারের আদালতে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Array