তেপান্তর রিপোর্ট:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৪২৫ জন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) টানা ৯ দিনের শুনানি শেষে মোট আপিলকারীর ৬৫ শতাংশের বেশি প্রার্থী ভোটের মাঠে ফেরার সুযোগ পেলেন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানির শেষ দিনে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ১০ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই শুনানিতে প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ৫২৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ৪২৫ জনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও প্রতিপক্ষের আপিলের মুখে বিএনপির চারজন প্রভাবশালী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে কমিশন। তারা হলেন— মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি (কুমিল্লা-৪), আব্দুল গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১০), সারোয়ার আলমগীর (চট্টগ্রাম-২) ও তালহা শাহরিয়ার আইয়ুব (যশোর-৪)।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি ইস্যু ছিল শেষ দিনের শুনানির মূল কেন্দ্রবিন্দু। দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতা কাটিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সবুজ সংকেত পেয়েছেন বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শামা ওবায়েদ, আফরোজা খানম রিতা এবং জামায়াতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ ২০ জন। তবে তুরস্কের নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি যাচাইধীন থাকায় কুমিল্লা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জেল হোসেন কায়কোবাদের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করিনি। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি রাখা হয়েছে। সবার অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” ঋণখেলাপিদের ছাড় দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আইনের সীমাবদ্ধতার কারণেই অনেক ক্ষেত্রে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ছাড় দিতে হয়েছে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics